| 1. ভূমিকা (Background) |
| 1.1. নগর ঝুঁকি নিরূপণ কী () |
| 1.2. নগর ঝুঁকি নিরূপণের যৌক্তিকতা () |
| 1.3. নগর ঝুঁকি নিরূপণের সুফল () |
| 1.4. ঝুঁকি নিরূপণ প্রক্রয়িার পদক্ষপে () |
| 1.5. ঝুঁকি নিরূপণ কিভাবে করা হয়েছে (পদ্ধতি) () |
| 1.6. ইউআরএ-তে এফবএি এর সংযোজন প্রক্রিয়া (Integration of FbA to URA) |
| 2. এলাকা পরিচিতি (Area Profile) |
| 2.1. সিটি কর্পোরেশন/উপজেলা () |
| 2.2. ওয়ার্ড পরিচিতি () |
| 3. প্রধান দুর্যোগ সমূহ (Major Hazards) |
| 3.1. প্রধান দুর্যোগ সমূহ (Major Hazards) |
| 4. দুর্যোগের মৌসুমী দিনপঞ্জি (Hazard Calendar) |
| 4.1. দুর্যোগের মৌসুমী দিনপঞ্জি এর বর্ণনা () |
| 5. ওয়ার্ডের আপদ ও বিপদাপন্ন খাত/সেক্টর (Hazard and Vulnerable Sectors) |
| 5.1. ওয়ার্ডের আপদ ও বিপদাপন্ন খাত/সেক্টর এর বর্ণনা () |
| 6. ঝুঁকির ও সম্পদের চিত্র (Risk and Resource Map) |
| 6.1. ঝুঁকির ও সম্পদের চিত্র এর বর্ণনা () |
| 7. সেক্টর/খাত ভিত্তিক ঝুকি বিন্যাস (Sector wise Risks analysis and prioritization) |
| 8. আগাম কার্যক্রমসহ ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা (Risk reduction action plan including Early Action plan) |
| 8.1. আগাম কার্যক্রমসহ ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা এর বর্ণনা (Detail of Risk reduction action plan including Early Action plan) |
| 9. পরিশিষ্ট (Annex) |
• সিটি কর্পোরেশন / পৌরসভা যথাযথভাবে ঝুঁকি নিরূপণ করে প্রয়োজনীয় উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে পাওে না। ঝুঁকি নিরূপণের মাধ্যমে জনসচেতনতা বাড়ানো এবং ঝুঁকি নিরসনে কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণ করা।
• এর মাধ্যমে ঝুঁকি নিরসনের জন্য কোথায়, কোন ধরনের কার্যμম গ্রহণ করা প্রয়োজন তা জানা সম্ভব।
• নগর ঝুঁকি নিরূপণের মাধ্যমে নগর কর্তৃপক্ষ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমে নিয়োজিত বিভিন্ন সংস্থা ও নগরবাসী সকলেই দুর্যোগ ঝুঁকি মোকাবিলায় নিজেদের প্রস্তুত করে তুলতে পারে।
• ঝুঁকি জানা থাকলে ঝুঁকি নিরসনে পদক্ষেপ নেয়া সহজ হয়।
• ঝুঁকি হ্রাস পদক্ষেপ গ্রহণ করে দুর্যোগে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি কমানো।
• এলাকা বাছাই সিটি কর্পোরেশন/ওয়ার্ড দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সাথে এ বিষয়ে ঐকমত্য
• ওয়ার্ড পর্যায়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন ও ঝুঁকি নিরূপণ প্রμিয়া পরিচালনার বিষয়ে ঐকমত্য।
• ঝুঁকি নিরূপণ প্রμিয়া পরিচালনার লক্ষ্যে সহায়ক দল গঠন করতে হবে এবং তাদেরকে প্রশিক্ষণ দিতে হবে
• নগরের আবাসিক স্থাপনা, লাইফ লাইন সার্ভিস, অতীতে সংঘটিত দুর্যোগের প্রাথমিক ও দ্বিতীয় পর্যায়ের তথ্য ও উপাত্ত সংগ্রহ করতে হবে। বিজ্ঞানভিত্তিক তথ্য-উপাত্তও সংগ্রহ করতে হবে।
- পরিভ্রমণ (ট্রানজেক্ট ওয়াক)ঃ দলবেধে প্রতিটি এলাকায় পরিদর্শন ও ঝুঁকি নিরূপণ করা হয়
- এলাকার তথ্যের ভিত্তিতে ঝুঁকি ও সম্পদের মানচিত্র প্রণয়ন এবং এর ব্যাখ্যা তৈরি করা
- জনগণকে সংগঠিতকরণ, নির্দিষ্ট দলে আলোচনা (ফোকাস গ্রুপ ডিসকাশন)
- পারিবারিক ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ের বিপদাপন্নতা নিরূপণ ও চিত্রায়ন - ঝুঁকির বিবরণ তৈরি
- ঝুঁকি নিরসনের সর্বোত্তম অপশন চিহ্নিতকরণ
- ঝুঁকি নিরসন কার্যμম পরিকল্পনা (রিস্ক রিডাকশন অ্যাকশন প্লান) প্রস্তুত
- বিশেষজ্ঞ গ্রুপ কর্তৃক ঝুঁকি নিরসন কার্যμম পরিকল্পনা পুনঃযাচাই - প্রতিবেদন প্রস্তুত
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন:
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নগর প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠান, যার সূচনা হয় ১৮৬৩ সালের ২২ জুন “চট্টগ্রাম মিউনিসিপ্যালিটি” নামে। প্রাথমিকভাবে মাত্র ৬ বর্গমাইল আয়তনের এই প্রতিষ্ঠান বর্তমানে ১৫৫.৫৪ বর্গকিলোমিটার এলাকায় বিস্তৃত হয়ে ৪১টি ওয়ার্ডে পরিচালিত হচ্ছে। প্রায় ৬০ লক্ষ মানুষের আবাসস্থল এই মহানগরীতে বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.৫৪%। নগরীর অবকাঠামো উন্নয়নে রয়েছে ৪,৩৫৯টি সড়ক (দৈর্ঘ্য ১,৪৪৩.৫ কিমি), ৪৭২ কিমি নালা, ২৮১ কিমি ফুটপাত, ২২৭টি সেতু, ২০৫৭টি কালভার্ট ও ৪২৬টি পাকা ড্রেন। শিক্ষাখাতে রয়েছে ৮৮৮টি প্রতিষ্ঠান, যার মধ্যে ২৩টি কলেজ, ৪৮টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৭টি কিণ্ডারগার্টেন, ৪টি কম্পিউটার ইনস্টিটিউট ও ৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয় উল্লেখযোগ্য। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে রয়েছে ৮টি জামে মসজিদ, ২টি এবাদতখানা, ২টি কবরস্থান ও ২টি মহাশ্মশান। স্বাস্থ্যখাতে সেবা দিতে পরিচালিত হচ্ছে ৪টি মা ও শিশু হাসপাতাল, ১টি জেনারেল হাসপাতাল, ৫০টি নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্র, ১১টি হোমিওপ্যাথিক ক্লিনিক, ১টি ইনফ্লুয়েঞ্জা ইনস্টিটিউট ও ১টি আধুনিক পরীক্ষাগার। মোট ১,৯৮১ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী, ৭টি বিভাগ ও ৩টি অ্যাসেসর ক্লাসের সমন্বয়ে পরিচালিত এই সিটি কর্পোরেশন দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামের নগরজীবন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামো উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে।
ওয়ার্ড পরিচিতি:
পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডের আয়তন ৩.১৬ বর্গকিলোমিটার এবং মোট জনসংখ্যা ৫,১৫,৬৪১ জন, যার মধ্যে পুরুষ ২,৬২,৭৭৬ জন, মহিলা ২,৫২,৮৬৪ জন এবং হিজড়া নেই। এখানে প্রায় ৩০০ জন অভিবাসী বসবাস করেন। অধিকাংশ মানুষের পেশা দিনমজুরি ও শ্রমিকভিত্তিক, এবং পাহাড়ি এলাকায় বসবাসকারীরাও মূলত দিনমজুর ও গার্মেন্টস শ্রমিক। গড় মাসিক আয় প্রায় ১৫,০০০ টাকা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে ২টি মাদ্রাসা, ৩টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ১টি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, এছাড়াও রয়েছে ১১টি ব্যাংক।
ওয়ার্ডটি পাহাড়ধস ও অতিবৃষ্টিজনিত জলাবদ্ধতার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা। অতীতে আমিন কলোনী ও টাংকির পাহাড়ে পাহাড়ধসের ঘটনায় ২০১৪ সালে ১ জন ও ২০১৫ সালে ৩ জন নিহত হন। প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থায় নিয়মিত মাইকিং, আশ্রয়কেন্দ্রে স্থানান্তর এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস প্রচার করা হয়। সিটি কর্পোরেশন উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করে, আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা লোকদের রান্না করা খাবার সরবরাহ ও আর্থিক অনুদান প্রদান করে, জেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন এনজিও সংস্থা সহায়তা প্রদান করে।
ওয়ার্ডে ২টি আশ্রয়কেন্দ্র রয়েছে—আলহেরা মাদ্রাসা ও রৌফাবাদ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়। আশ্রয়কেন্দ্রে থাকার ব্যবস্থা থাকলেও নিরাপত্তা, টয়লেট ও খাবার পানির ঘাটতি রয়েছে এবং নারীদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা সীমিত। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি ও নগর স্বেচ্ছাসেবক টিম সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। মহিলা কাউন্সিলর জেসমিন পারভীন জেসী (মোবাইল: ০১৮১১-৩৯৪২৮১)।
পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর মোট পরিবার ও জনসংখ্যার তথ্য রয়েছে, তবে তালিকা নেই। কৃষিজমি নেই, এবং পাহাড়ি এলাকায় বিদ্যুৎ, পানি ও অন্যান্য সেবার ঘাটতি রয়েছে। আবহাওয়ার বা দুর্যোগ সম্পর্কিত বার্তা জেলা প্রশাসন, ওয়ার্ড অফিস ও স্বেচ্ছাসেবক সংগঠনের পক্ষ থেকে মাইকিং করে প্রচার করা হয়।
এই ওয়ার্ডে CDC, DSK ও YPSA সংস্থা বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
ওয়ার্ড-০৭, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকার ট্রানসেক্ট ওয়াক কার্যক্রমে বৌদ্ধাবাদ কলোনি, নবীন নগর, আমিন কলোনি, সুরিয়া মাস্টার রোড, শান্তিনগর, আলীনগরসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মহল্লা ও এলাকা ঘুরে সরেজমিন তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। পরিদর্শনের রুটে রেলপথ, পাহাড়ি ঢাল, খালপাড়, অভ্যন্তরীণ গলি ও বস্তি এলাকা অন্তর্ভুক্ত ছিল। এলাকাগুলোর ভৌগোলিক গঠন, অবকাঠামোর অবস্থা, সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট, ঝুঁকি ও সুযোগসমূহ পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে স্থানীয় বাস্তবতা অনুধাবনের চেষ্টা করা হয়েছে।
এই ওয়ার্ডে প্রধানত নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত জনগোষ্ঠীর বসবাস। বসতঘরের ধরন অনুযায়ী কাঁচা, টিনের ও আধাপাকা ঘরের আধিক্য লক্ষ করা গেছে, যদিও কিছু পাকা স্থাপনাও রয়েছে। বেশিরভাগ ঘর ঘনবসতিপূর্ণ এবং পাহাড়ের ঢালে বা খালের ধারে নির্মিত। পরিবারের আকার তুলনামূলকভাবে বড়, এবং একাধিক পরিবার মিলে একটি বাড়িতে বসবাস করার চিত্রও পরিলক্ষিত হয়েছে। জীবিকার উৎস হিসেবে দিনমজুরি, রিকশা চালনা, ছোট ব্যবসা, দর্জি ও গার্মেন্টস শ্রমিকের কাজ প্রধান। নারীদের অনেকে বাসাবাড়িতে গৃহকর্মে নিয়োজিত। অধিকাংশ পরিবারে আয়ের স্থায়িত্ব নেই এবং অর্থনৈতিক ঝুঁকি রয়েছে।
অবকাঠামোগতভাবে এলাকাটি অনেক চ্যালেঞ্জের মধ্যে রয়েছে। প্রধান সড়কগুলো আংশিকভাবে পাকা হলেও অভ্যন্তরীণ গলিগুলো সরু, ভাঙাচোরা ও অনেক ক্ষেত্রে কাঁচা। বৃষ্টির সময় জলাবদ্ধতা দেখা যায় এবং চলাচলে সমস্যা হয়। অনেক এলাকায় অ্যাম্বুলেন্স কিংবা অগ্নিনির্বাপক গাড়ি প্রবেশের উপযুক্ত রাস্তা নেই। বিদ্যুৎ সরবরাহে খোলা তার, পুরনো খুঁটি ও অপরিকল্পিত সংযোগ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা তৈরি করেছে। ড্রেনেজ ব্যবস্থাও দুর্বল—নালা ও খালগুলো প্রায়ই ময়লা, প্লাস্টিক ও বর্জ্যে আটকে থাকে। অধিকাংশ এলাকায় ময়লা ফেলার জন্য নির্ধারিত স্থান নেই এবং খোলা স্থানে আবর্জনা ফেলাই স্বাভাবিক চর্চা। উন্মুক্ত স্থান অত্যন্ত সীমিত, কেবল কিছু বিদ্যালয়ের মাঠ শিশুদের খেলার একমাত্র সুযোগ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এলাকায় একাধিক বিদ্যালয় ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান থাকলেও সরকারি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের অভাব রয়েছে এবং মানুষ প্রাইভেট ক্লিনিক বা ফার্মেসির উপর নির্ভরশীল। এই ওয়ার্ডের প্রধান ঝুঁকিগুলোর মধ্যে রয়েছে পাহাড়ধস, জলাবদ্ধতা, অগ্নিকাণ্ড, খোলা বৈদ্যুতিক তারের সংযোগ এবং অপরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা। অনেক ঘরই পাহাড়ের ঢালে ঝুঁকিপূর্ণভাবে নির্মিত হয়েছে, যা বর্ষাকালে জীবনের জন্য হুমকি সৃষ্টি করে। ড্রেন ও খালে বর্জ্য ফেলায় পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকিও রয়েছে। এই বাস্তবতার প্রেক্ষিতে এলাকায় ঝুঁকি হ্রাসের জন্য বেশ কিছু সম্ভাবনা রয়েছে। পাহাড়ি ঢালে রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণ, ড্রেন ও খালসমূহ নিয়মিত পরিষ্কার ও সংস্কার, সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপদ বিদ্যুৎ সংযোগ নিশ্চিতকরণ জরুরি। পাশাপাশি রাস্তা প্রশস্তকরণ, জরুরি যানবাহন চলাচলের ব্যবস্থা এবং কমিউনিটি সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেয়া যেতে পারে। এলাকায় কিছু স্বেচ্ছাসেবী যুবসংগঠন সক্রিয় রয়েছে, যাদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে দুর্যোগ প্রস্তুতি ও ঝুঁকি প্রশমনের জন্য কমিউনিটি-ভিত্তিক উদ্যোগ নেয়া যেতে পারে।
এই বিবরণ ওয়ার্ড ০৭-এর বাস্তব অবস্থা অনুধাবনের একটি সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদন হিসেবে প্রস্তুত করা হয়েছে, যা ট্রানসেক্ট ওয়াক ও সরেজমিন পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যের উপর ভিত্তি করে প্রণয়ন করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ড নং ০৭, শুলকবহর এলাকা প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট উভয় ধরনের বিপদাপন্ন অঞ্চলের মধ্যে একটি। এলাকার ভূ-প্রকৃতি, পাহাড়ি ঢাল, ঘনবসতি ও অপরিকল্পিত নগরায়ণের কারণে এখানে একাধিক ঝুঁকি বিদ্যমান। সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণমূলক মূল্যায়নের মাধ্যমে নিচের ১৪টি প্রধান ঝুঁকি চিহ্নিত করা হয়েছে এবং অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ক্রমানুসারে সাজানো হয়েছে। সবচেয়ে উচ্চ ঝুঁকির তালিকায় রয়েছে পাহাড় ধস, জলাবদ্ধতা ও পাহাড়ি ঢল — যা বর্ষা মৌসুমে মানুষের জীবন ও সম্পদের ওপর ভয়াবহ প্রভাব ফেলে। এলাকার বহু ঘরবাড়ি পাহাড়ের পাদদেশে বা ঢালে নির্মিত হওয়ায় বৃষ্টিপাতের সময় ভূমিধসের ঝুঁকি মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পায়। অগ্নিকাণ্ড ও ভূমিকম্প ঝুঁকিও এই এলাকায় উল্লেখযোগ্য, বিশেষ করে ঘনবসতি ও পুরনো আবাসিক এলাকার কারণে। অপরদিকে, উপকূলীয় অবস্থানের কারণে সাইক্লোন ও পরবর্তী জলাবদ্ধতা বা পানি সংকটের মতো দ্বিতীয়িক ঝুঁকিগুলোও এই ওয়ার্ডের জীবনে প্রভাব ফেলে। সাম্প্রতিক সময়ে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া রোগের প্রকোপ, তাপদাহ, এবং মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার সামাজিক ও জনস্বাস্থ্যগত হুমকি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। তদুপরি, গ্যাস বিস্ফোরণ ও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু শহুরে এলাকায় বাড়তে থাকা দুর্ঘটনার অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্ষাকালে অতিবৃষ্টি ও নিকাশী ব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে বন্যা ও জলাবদ্ধতা জনজীবন ব্যাহত করে, স্কুল, বাজার ও স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলো অচল হয়ে পড়ে। তাছাড়া, পাহাড় ধস ও ঢল নামার কারণে মানুষ প্রায়ই অর্থনৈতিক ক্ষতি ও বাস্তুচ্যুতির মুখে পড়ে। এই সব ঝুঁকি বিবেচনায় স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও সম্প্রদায়কে একত্রে কাজ করতে হবে যাতে প্রস্তুতি, আগাম সতর্কীকরণ ও প্রশমন কার্যক্রম জোরদার করা যায়। স্থানীয় পর্যায়ে দুর্যোগ সহনশীল অবকাঠামো, নিরাপদ আবাসন, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নয়ন এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহণ করা অত্যন্ত প্রয়োজন।
| Rank | Hazard |
|
Rank |
Hazard |
|
১ |
পাহাড় ধ্বস |
|
২ |
জলাবদ্ধতা |
|
৩ |
পাহাড়ি ঢল |
|
৪ |
অগ্নিকান্ড |
|
৫ |
ভূমিকম্প |
|
৬ |
সাইক্লোন |
|
৭ |
ডেঙ্গু\ চিকুনগুনিয়া |
|
৮ |
তাপদাহ |
|
৯ |
পানি সংকট |
|
১০ |
মাদকদ্রব্য |
|
১১ |
গ্যাস বিস্ফোরণ |
|
১২ |
বজ্রপাত |
|
১৩ |
তড়িৎাঘাতপ্রাপ্ত |
|
১৪ |
পানিতে ডুবে মৃত্যু |
বৈলছড়ি ইউনিয়নের জনজীবন বিভিন্ন মৌসুমভিত্তিক জীবিকার উপর নির্ভরশীল। বিশ্লেষণে দেখা যায়, কৃষিকাজ মূলত বৈশাখ, জ্যৈষ্ঠ, আশ্বিন ও কার্তিক মাসে বেশি সক্রিয় থাকে, যা ফসল চাষের মৌসুমের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। অন্যদিকে, মৎস্যজীবীদের প্রধান কর্মমাস আষাঢ় থেকে কার্তিক পর্যন্ত সীমাবদ্ধ, যা বর্ষা মৌসুমের পানিপ্রবাহের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত।
দিনমজুরদের কাজের সুযোগ অপেক্ষাকৃত দীর্ঘমেয়াদে বিস্তৃত হলেও, তা বর্ষাকালে কিছুটা কমে আসে। রিকশা ও ভ্যান চালকরা প্রায় সারা বছরই আয় করতে পারেন, তবে অতিবৃষ্টি বা দুর্যোগপূর্ণ সময় আয় কমে যেতে পারে।
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা সাধারণত বছরজুড়েই কার্যক্রম চালিয়ে যেতে সক্ষম হন। চাকরিজীবীদের জন্য কাজের মৌসুমি প্রভাব তুলনামূলকভাবে কম থাকলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগে যাতায়াতে বিঘ্ন ও অফিস কার্যক্রমে সমস্যা হতে পারে।
|
দুর্যোগ |
মাস |
||||||||||||
|
Jan |
Feb |
Mar |
Apr |
May |
Jun |
July |
Aug |
Sept |
Oct |
Nov |
Dec |
||
|
পাহাড় ধ্বস |
|
|
|
|
|
ü |
ü |
ü |
|
|
|
|
|
|
জলাবদ্ধতা |
|
|
|
|
|
ü |
ü |
ü |
ü |
|
|
|
|
|
পাহাড়ি ঢল |
|
|
|
|
|
ü |
ü |
ü |
|
|
|
|
|
|
অগ্নিকান্ড |
ü |
ü |
ü |
|
|
|
|
|
|
|
ü |
ü |
|
|
ভূমিকম্প |
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
সাইক্লোন |
|
|
ü |
ü |
ü |
ü |
ü |
|
|
ü |
ü |
|
|
|
ডেঙ্গু\ চিকুনগুনিয়া |
|
|
|
ü |
ü |
ü |
ü |
ü |
ü |
|
|
|
|
|
তাপদাহ |
|
|
ü |
ü |
ü |
|
|
|
|
|
|
|
|
|
পানি সংকট |
ü |
ü |
ü |
ü |
|
|
|
|
|
|
ü |
ü |
|
|
মাদকদ্রব্য |
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
গ্যাস বিস্ফোরণ |
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
বজ্রপাত |
|
|
|
ü |
ü |
ü |
ü |
|
|
|
|
|
|
|
তড়িৎাঘাতপ্রাপ্ত |
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
Dc‡iv³ Avc`mg~n AÎ BDwbq‡bi cÖvq me LvZ/‡m±i‡KB Kg-‡ekx wec`vcbœ K‡i †Zv‡j, hv wb¤œwjwLZ Q‡K cÖKvk Kiv n‡q‡Q| †h LvZ/‡m±i †h Avc‡` wec`vcbœ nq, Zv wPý () w`‡q eySv‡bv n‡q‡Q |
|
Avc` |
LvZ/‡m±i |
||||||||
|
¯^v¯’¨ Health |
cvwb, cq:wb®‹vkb I cwi®‹vi-cwi”QbœZv (Water Sanitation, and Hygiene) |
‡RÛvi I অন্তর্ভুক্তিকরন (নারী, শিশু, বয়স্ক, প্রতিবন্ধী, ইত্যাদি) |
শিক্ষা (Education) |
AeKvVv‡gv I ‡hvMv‡hvM e¨e¯’v (Infrastructure and Communication) |
K…wl (Infrastructure and Communication) |
cÖvYx m¤ú` (Livelihood) |
grm¨ m¤ú` (Fisheries)
|
Ab¨vb¨ (যেমন- সুরক্ষা, ইত্যাদি) Others (Such as Protection) |
|
|
পাহাড় ধ্বস |
ü |
ü |
ü |
ü |
ü |
ü |
ü |
ü |
ü |
|
জলাবদ্ধতা |
ü |
ü |
ü |
ü |
ü |
ü |
ü |
ü |
ü |
|
পাহাড়ি ঢল |
ü |
ü |
ü |
ü |
ü |
ü |
ü |
ü |
ü |
|
অগ্নিকান্ড |
ü |
ü |
ü |
ü |
|
|
ü |
ü |
|
|
ভূমিকম্প |
ü |
ü |
ü |
ü |
ü |
|
|
|
|
|
সাইক্লোন |
ü |
ü |
ü |
ü |
ü |
ü |
ü |
ü |
ü |
|
ডেঙ্গু চিকুনগুনিয়া |
ü |
ü |
ü |
ü |
|
|
|
|
|
|
তাপদাহ |
ü |
ü |
ü |
ü |
|
ü |
ü |
|
|
|
পানি সংকট |
ü |
ü |
ü |
ü |
|
ü |
ü |
ü |
|
|
মাদকদ্রব্য |
ü |
|
|
ü |
|
|
|
|
ü |
|
গ্যাস বিস্ফোরণ |
ü |
|
ü |
ü |
ü |
|
|
|
|
|
বজ্রপাত |
ü |
|
|
|
|
|
ü |
|
|
|
তড়িৎাঘাতপ্রাপ্ত |
ü |
|
|
|
ü |
|
|
|
|
|
Ward 07 - West Sholasahar, Chattogram |
||
|
Map |
||
|
Legend |
||
|
● Household cluster ● Health ● Hat Bazar cluster ● Education institute ● Cyclone/flood/evacuation shelter |
● School cum cyclone shelter ● Religious center ● Crop Land ● Farms ● Cyclone/flood/safe shelters |
● Health centres ● Ghat ● Kella ● Other_______
|
(Source: WDMC and community members)
ছবি 1 : ঝুঁকির ও সম্পদের চিত্র (Risk and Resource Map)
Source: RIMES
ছবি- 1 বনভূমির পরিবর্তন (Vegetation cover change)
Source: RIMES
ছবি-2: ভূমিধ্বস প্রবণতাশীর্ষক মানচিত্র (Landslide Susceptibility Map)
| সেক্টর/খাত | আপদ | সম্ভাব্য ঝুঁকি | ঝুঁকি ও বপিদাপন্নতার কারন সমূহ | অগ্রাধিকার (১-৩) |
|
¯^v¯’¨ (Health) |
পাহাড় ধ্বস |
১। মৃত্যুর ঝুকিঃ
০৭ ওয়ার্ডের প্রায় ০৫টি পাহাড়ে ( রোফবাদ উত্তর পাড়া (মিয়ার পাহাড়), আমিন কলোনী টাংকির পাহাড়, জুরানবাড়ী, রূপনগর কলোনী, ৯৯ গলির পাহাড়) আনুমানিক ৪৭ টি পরিবার খুবই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। এই সব পরিবারে অন্তত ১৯২ জন মানুষ পাহাড়ধসের মৃত্যুর ঝুঁকিতে থাকবে।
২। আহত হওয়ার ঝুঁকি ০৭ ওয়ার্ডের প্রায় ০৫টি পাহাড়ে ( রোফবাদ উত্তর পাড়া (মিয়ার পাহাড়), আমিন কলোনী টাংকির পাহাড়, জুরানবাড়ী, রূপনগর কলোনী, ৯৯ গলির পাহাড়) আনুমানিক ৯৫টি পরিবার ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। উক্ত ৯৫টি পরিবারে প্রায় ৩৬০ জন মানুষ আহত হওয়ার ঝুঁকিতে আছে।
৩। মানসিক চাপঃ ০৭ ওয়ার্ডের পাহাড়ী এলাকায় পায় ৬ হাজার মানুষ বসবাস করে, এর মধ্যে প্রায় ৩৩% শিশু, ২৮% নারী , ২৯% পুরুষ। উক্ত জনসংখ্যার বড় একটি অংশ পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে থাকায় সবসময় মানসিক চাপ অনুভব করে।
৪। রোগ জীবানুতে আক্রান্ত হওয়াঃ পাহাড়ধসের প্রেক্ষিতে মানবিক বিপর্যয় সংগঠিত হওয়া সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের প্রায় ২০০০ হাজার মানুষ পানিবাহিত, মাশাবাহিত রোগ সহ বিভিন্ন রোগ জীবানুতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে আছে।
|
১। উল্লেখিত পরিবারগুলো পাহাড়ের উপরে এবং পাদদেশে বসবাস করছে। তাঁদের ঘরবাড়ীগুলো অনেকাংশে নড়বড়ে এবং ভঙ্গুর।
২। সংশ্লিষ্ট পাহাড়গুলোর অধিকাংশই বালু মাটির
৩। সংশ্লিষ্ট পাহাড়গুলোতে ভূমিদস্যুদের প্রভাবে অনেক স্থানেই পাহাড়কাটা হয়েছে। ফলশ্রতিতে পাহাড়গুলো ধসে পড়ার মারাত্মক ঝুকিতে রয়েছে।
৪। ঝুঁকি ম্যাপ এবং আগাম কর্ম পরিকল্পনা না থাকা
৫। নিকটস্থ এলাকায় ফায়ার সার্ভিস না থাকায় এবং সংশ্লিষ্ট ঝুকিপূর্ণ এলাকায় প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক এর স্বল্পতা থাকায়। |
১
১
৩
৩
|
|
জলাবদ্ধতা |
আহত হওয়াঃ
১.০৭ নং পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডের খতিবের হাট,সুন্নিয়া মাদ্রাসা রোড, মির্জাপুর, মোহাম্মদনগর কলোনী, শান্তিনগর খাল, শীতল ঝর্ণা খালসহ কয়েকটি এলাকায় পার্শবর্তী বস্তির আশেপাশে (মে-সেপ্টেম্বর) জলাবদ্ধতা হয়ে থাকে। এতে নারী, শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে আহত হওয়ার কারণ অনেকগুলো কারণ বিদ্ধমান ছিলো।
২.অসুস্থ হওয়া/ রোগ জীবানুর প্রাদুর্ভাবঃ জলাবদ্ধতার প্রেক্ষিতে ০৭ নং পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডের বেশকিছু এলাকায় পরিবেশ দুষণ, ময়লা আবর্জনা ছড়িয়ে ছিটিয়ে যাওয়ার প্রেক্ষিতে মশা- মাছির বিস্তার বৃদ্ধি পাই। এছাড়াও পানি দুষণ এর প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট এলাকার বিপুল সংখ্যক মানুষ অসুস্থ / রোগ জীবানুতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুকিতে রয়েছে।
|
১। এলাকাটি ভৌগলিকভাবে অসমতল। ফলে অধিক বৃষ্টির প্রেক্ষিতে জলাবদ্ধতা হয়ে থাকে।
২।পাহাড়বেষ্টিত এলাকা হওয়ায় পাহাড়ী ঢলের পানির কারণে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করে।
৩। আধুনিক ও কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা না থাকায় পাহাড়ে বসবাসরত লোকের বর্জ্য নালা নর্দমায় ফেলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করে।
৪। পাহাড়ি ঢলের সাথে মাটি এসে , খাল ,নালা, ড্রেন ভরাট হয়ে যায়। উপরোক্ত ঝুঁকির প্রেক্ষিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা কারণে এলাকার সরু রাস্তার পাশে ড্রেন , নালায় পড়ে গিয়ে এবং সড়ক ভেঙে যাওয়ার প্রেক্ষিতে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে নারী, শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে আহত হওয়ার ব্যাপক ঝুঁকি বিদ্ধমান।
১। আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অভাব রয়েছে। ২। রাস্তা ও জনবসতির পাশে বেশকিছু খোলা ডাম্পিং রয়েছে। ৩। অনেকগুলো উন্মুক্ত ড্রেন নালা রয়েছে। ৪। সিটি কর্পোরেশন এর মশক নিধন ঔষধ পর্যাপ্ত নেই ৫। জনপ্রতিনিধি না থাকায় মশক নিধন কার্যক্রমে যথাযথ মনিটরিং না থাকা। ৬। সাধারণ মানুষ সচেতন নয়। ৭। নিকটবর্তী স্থানে ভালো বিশেষায়িত হাসপাতাল/ চিকিৎসা কেন্দ্র নেই।
|
১ |
|
|
পাহাড়ি ঢল |
রৌফাবাদ\ডাম্পিং সাইট, রৌফাবাদ কলোনী, টাঙ্গকির পাহাড়ে এলাকায় প্রায় ৭০ পরিবার স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি রয়েছে। যাদের পানিবাহিত রোগ- ডায়রিয়া, কলেরা, আমাশয়, টাইফয়েড ইত্যাদি; ভেক্টর-বাহিত রোগ– ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া, চিকুনগুনিয়া ইত্যাদি; চর্ম ও শ্বাসযন্ত্রের রোগ –চুলকানি, ফুসকুড়ি, হাঁপানি ও সর্দি-কাশি; শারীরিক আঘাত– পানির স্রোতে ডুবে যাওয়া বা ধ্বংসস্তুপে চাপা পড়া; মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা – আতঙ্ক, ট্রমা, হতাশা ইত্যাদির ঝুঁকি আছে।
|
১. বিশুদ্ধ পানির অভাবে দূষিত পানি ব্যবহার। ২. অপর্যাপ্ত স্যানিটেশন-টয়লেট ডুবে যাওয়া বা ব্যবহারের অনুপযোগিতা। ৩. জমে থাকা পানিতে – মশার প্রজনন বৃদ্ধি। ৪. খাবার ও পুষ্টির সংকটে শিশু ও বয়স্কদের অপুষ্টি বেড়ে যাওয়া। ৫. রাস্তাঘাট ও হাসপাতাল অচল হয়ে স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত যাওয়া। ৬। পর্যাপ্ত ড্রেন ব্যবস্থাপণা না থাকা |
২ |
|
|
অগ্নিকান্ড |
প্রাণহানীঃ রৌফাবাদের উত্তরপাড়ার নিউ আবাসিক, মিয়া পাহাড়ের পাশে, শান্তিনগর, আমিন কলোনীতে প্রায় ০৭টি ঘন বস্তি এলাকা রয়েছে। এখানে প্রায় ৪০০ পরিবার বসবাস করে। এছাড়া জানা যায় প্রায় ৯০% জনগোষ্ঠী কাচা ঘরবাড়ী, টিনশেড পাকা ঘরে বসবাস করে। এছাড়া বহুবিধ বাস্তবতার প্রেক্ষিতে এই ওয়ার্ডটি ঝুঁকিপুর্ণ বলে প্রতীয়মান।
২। আহত/প্রতিবন্ধী হওয়াঃ এখানের অনেকগুলো কাচা বাড়ীঘর, অপরিকল্পিত বিদ্যুৎ সংযোগ, গ্যাস লিকেজ সহ বিভিন্ন কারণে অগ্নিকাণ্ডের কারণ বিদ্ধমান রয়েছে। এতে আগ্নিকাণ্ডের প্রেক্ষিতে নিহত হওয়ার পাশাপাশি বিপুল সংখ্যক মানুষ আহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
৩। মানসিক চাপ/ট্রমাটাইজডঃ ওয়ার্ড এর অনেকগুলো কাচা বাড়ীঘর, অপরিকল্পিত বিদ্যুৎ সংযোগ, গ্যাস লিকেজ সহ বিভিন্ন কারণে অগ্নিকাণ্ডের কারণ বিদ্ধমান রয়েছে। এতে আগ্নিকাণ্ডের প্রেক্ষিতে বিপুল সংখ্যাক লোক আহত, নিহত হওয়ার পাশাপাশি ঘটনাজনিত অভিঘাতে অনেকেই ট্রমাটাইজড হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
|
১। সংশ্লিষ্ট বস্তিগুলোর ৯০% জনগোষ্ঠী কাচা ঘরবাড়ী, টিনশেড ঘরে বসবাস করে এবং অনেককেই জ্বালানী হিসেবে লাকড়ীর চুলা ব্যবহার করে।
২। বস্তির পাশে বিভিন্ন এলাকায় অনেক পুরোনু টান্সফরমার এবং ঝরার্ঝীর্ণ তারের সংযোগ রয়েছে।
৩। রাস্তা এবং জনবসতির পাশে অনেক স্থানে সিলিন্ডার গ্যাসের দোকান রয়েছে।
৪। কিছু স্থানে লাইন গ্যাস এর পাইপ রয়েছে কর্তৃপক্ষ (কর্ণফূলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন) দীর্ঘদিন তদারকি করেনি।
৫। এলাকার বস্তিগুলোতে ইলেকট্রিক এসেসমেন্ট হয়নি এই বিষয়ে পিডিবি কিংবা ফায়ার সার্ভিসের কোন ভূমিকা এলাকাবাসী প্রত্যক্ষ করেনি।
৬। বস্তির পাশের অনেকগুলো গলি/ সরু রাস্তা রয়েছে (অন্তত-১৩ টি) যেখানে ফায়ার সার্ভিস গাড়ী পুরোপুরি প্রবেশ করবেনা, এছাড়া ৩/৪ টি পাহাড়ী এলাকায় জলাশয় না থাকায় শীতকালে পানির উৎস খুঁজে পাওয়া যাবেনা।
৪। এখানে কয়েকটি বস্তিতে বিগত ২৫ বছরে অনেকগুলো ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা এবং অগ্নিকাণ্ড জনিত অসংখ্য মৃত্যু, অঙ্গহানী এবং সহায় সম্পদ হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছে। অনেকেই বাস্তচ্যুত হয়েছে । প্রিয়জন, পরিজন হারিয়ে তাঁদের মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে হয়ে পড়েছে। |
১ |
|
|
|
ভূমিকম্প |
আঘাতপ্রাপ্ত/ ট্রমাটাইজড হওয়াঃ প্রাণহানী হতে পারেঃ ভৌগলিক ও ভূ-তাত্ত্বিক কারণে চট্টগ্রাম ভূমিকম্পের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। ৭/৮ রিকটার স্কেলের ভুমিকম্পহলে চট্টগ্রাম তথা ০৭ নং ওয়ার্ডের (পাহাড়িকা আবাসিক, খতিবের হাট, আলীনগর) যেখানে বিল্ডিং সংখযা অনেক বেশি, যার ফলে ব্যাপক প্রাণহানী হতে পারে। সংশ্লিষ্ট এলাকার ১৫% মানুষ ভূমিকম্পজনিত প্রাণহানীর ঝুঁকিতে রয়েছে।
|
১। চট্টগ্রাম ( আরাকান সাবডাক জোন) এর নিকটবর্তী হওয়ায় এবং ভারতের সাথে বুর্মা প্লেটের সংঘর্ষ এলাকার প্রভাবশীল অংশ। ফলে এটি ভুমিকম্প উৎপাদনে খুব সক্রিয় অঞ্চল।
২। BNBC-20 অনুযায়ী চট্টগ্রাম জোন ( সিসমিক কো অফিসিয়েন্ট ০.28g) শ্রেণীতে পড়ে, যা দেশের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের অন্যতম। ৩। অত্র ওয়ার্ডের প্রায় ৪০% মানুষ বহুতল ভবনে বসবাস করে এবং পাহাড়িকা আবাসিক, খতিবের হাট, আলীনগর এ বহুতল ভবনের সংখ্যা অত্যধিক ।
৩।চট্টগ্রাম মহানগরে অবস্থিত বাড়ীর ৭০% ভবন ম্যাগ্নিচিঊড 7 বা তার উপরের ভূমিকম্পে প্রভাবিত হতে পারে বলে বিশেযজ্ঞের অভিমত। যার প্রভাব ০৭ নং ওয়ার্ডেও প্রবল।
৪। চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী অত্র এলাকার বিল্ডিং কোড/ BNBC অনুযায়ী নির্মাণ হয়নি।
৫।ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর তথ্য অনুযায়ীও অত্র এলাকা ভূমিকম্পের জন্য অধিক ঝুঁকিপূর্ণ।
৬। নিকটস্থ এলাকায় বিশেষায়িত হাসপাতাল না থাকায় প্রাণহানীর ঝুঁকি অনেকবেশী।
৭। অত্র এলাকায় অনেক পুরোনু এবং ঝরাঝীর্ণ বিল্ডিং রয়েছে যা ভূমিকম্পে অধিক ঝুকিপূর্ণ
৮। এলাকার অধিকাংশ বিল্ডিং সরু এলাকায় অবস্থিত এবং ফায়ার সার্ভিস কিছুটা দূরত্বে হওয়ার ফলে উদ্ধার কাজ মারাত্মক ভাবে ব্যাহত হবে।
১। উপরোক্ত কারণ ছাড়াও বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ শারিরিক ভাবে দুর্বল, এবং ধ্বংসাত্মক পরিস্থিতি সামাল দেয়ার মতো মানসিক প্রস্তুতি তাঁদের নেই। তাছাড়া অবকাঠামোগত কারণে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনাও সময় সাপেক্ষ এতে শারিরিক ও মানসিক আঘাত তীব্রতর হওয়ার ব্যাপক ঝুঁকি রয়েছে।
২। চিকিৎসা ব্যবস্থার অপ্রতুলতা এবং কাউন্সিলিং ব্যবস্থা না থাকায় ট্রমাটাইজড হওয়া খুবই স্বাভাবিক। অপরিকল্পিত নগরায়ন, ভবনের কোট (উচ্চতা/স্তরের মাপ), পাইলিং (ভিত্তি গাঁথার কাজ), মাটির পরীক্ষা, মজবুতকরণ, মাপ, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ) এর নির্মাণ নীতিমালা, ভূ-গর্ভস্থ কারণ, পুরনো ভূত ভবণসাইক |
৩ |
|
|
সাইক্লোন |
রৌফাবাদ মিয়ার পাহাড়, আমিন কলোনী, টাংকির পাহাড়, খতিবের হাট, রৌফাবাদ বেড়া ফকিরের পাহাড় ও রৌফাবাদ ব্যাটালিয়ন পাহাড় এলাকায় সাইক্লোন আঘাত হানলে মানুষের নানা ধরনের স্বাস্থ্যগত সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে।
১. আঘাত ও মৃত্যু ঝুঁকি – ঘূর্ণিঝড়ে গাছ, ঘরবাড়ি বা পাহাড়ি মাটি ধসে আহত বা নিহত হওয়ার সম্ভাবনা। ২. পানিবাহিত রোগ – দূষিত পানি পান করে ডায়রিয়া, আমাশয়, কলেরা ছড়ানো। ৩. চর্মরোগ ও শ্বাসযন্ত্রের রোগ – দীর্ঘক্ষণ ভেজা পরিবেশে থাকার কারণে চুলকানি, ফুসকুড়ি, ঠান্ডা-কাশি, হাঁপানি। ৪. মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা – ঘরবাড়ি হারানো ও আতঙ্কের কারণে মানসিক আঘাত ও ট্রমা। ৫. পুষ্টিহীনতা ও ডিহাইড্রেশন – খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও ওষুধের অভাবে শিশু ও বৃদ্ধদের বিশেষ ঝুঁকি।
|
1. দুর্বল অবকাঠামো – পাহাড়ি ঘরবাড়ি ও কাঁচা বাসস্থান সাইক্লোনে সহজে ভেঙে যায়। 2. অপর্যাপ্ত আশ্রয়কেন্দ্র – নিরাপদ আশ্রয়ের অভাব মানুষের বিপদ বাড়ায়। 3. পানি ও স্যানিটেশন সংকট – টিউবওয়েল ও টয়লেট নষ্ট হয়ে যাওয়ায় দূষিত পানি ব্যবহার করতে হয়। 4. চিকিৎসা ও উদ্ধারসেবা ব্যাহত হওয়া – সড়ক ও যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় দ্রুত চিকিৎসা পাওয়া যায় না। 5.সংক্রামক রোগের বিস্তার – আশ্রয়কেন্দ্রে অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে সংক্রামক রোগ দ্রুত ছড়ায়।
|
৩ |
|
|
ডেঙ্গু |
উক্ত ওয়ার্ডে বেশকিছু আবাসিক এলাকা, পাহাড় ও ঝোপঝাড়, জলাবদ্ধতার সমস্যার কারণে প্রতিবছর কয়েকশত পরিবার ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি দেখা দেয়।
তাদের উচ্চ জ্বর, মাথা ও শরীর ব্যথা, কাজ করার সক্ষমতা কমে যায়।প্লেটলেট কমে যাওয়া, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ঝুঁকি তৈরি হয়, ডেঙ্গু হেমোরেজিক ফিভার (DHF),শরীরে রক্তক্ষরণ হয়ে জীবনহানি পর্যন্ত ঘটতে পারে। ডেঙ্গু শক সিনড্রোম (DSS) – রক্তচাপ হঠাৎ কমে গিয়ে অঙ্গ বিকল হওয়ার ঝুঁকি। ডিহাইড্রেশন ও দুর্বলতা,দীর্ঘমেয়াদে শরীর ভেঙে পড়াসহ নানাবিধ সমস্যা দেখা দেয়। |
১. মশার বংশবিস্তার – জমে থাকা পানিতে এডিস মশার প্রজনন বৃদ্ধি। ২. অপর্যাপ্ত পরিচ্ছন্নতা – ড্রেন, বাসাবাড়ি ও আবর্জনা ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতা। ৩. সচেতনতার অভাব – ডেঙ্গুর উপসর্গ চিনতে দেরি হওয়া ও চিকিৎসা না নেওয়া। ৪. স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত হওয়া -হাসপাতালে বেড সংকট ও পর্যাপ্ত চিকিৎসা না পাওয়া। ৫. শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থদের দুর্বল প্রতিরোধ ক্ষমতা-সহজেই মারাত্মক অবস্থায় পৌঁছানো।
|
২ |
|
cvwb, cq:wb®‹vkb I cwi®‹vi-cwi”QbœZv (Water, Sanitation, and Hygiene- WaSH) |
পাহাড় ধ্বস |
১। পানির পাইপ লাইন ও সুয়ারেজ লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়
২।পানি, পয়ঃনিস্কাশন ও পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতার সংকট তৈরীর প্রেক্ষিতে রোগ জীবানুর প্রকোপ ও পরিবেশ দুষণ ঘটে।
|
১। সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের উল্লেখিত পাহাড়ের উপরে ও নিচে বিপুল সংখ্যক মানুষের বসবাসের প্রেক্ষিতে অনেক ঘরবাড়ী ও স্থাপনা রয়েছে। একইসাথে সেখানে কিছু ঝুকিপূর্ণ পানির পাইপলাইন ও পয়ঃ নিষ্কাশন ব্যবস্থা রয়েছে।
২। পাহাড়ধসজনিত আঘাতে পাহাড়ের নিচে নলকূপ থেকে পানির পাইপলাইন এবং টয়লেট এর পাইপ ভেঙ্গে যেতে পারে।
২ ১। পাহাড়ধসজনিত আঘাতে পাহাড়ের নিচে থাকা নলকূপ, পানির পাইপলাইন এবং টয়লেট এর পাইপ ভেঙ্গে গিয়ে মানুষের মল-মূত্র বাইরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে যায় এতে দুর্গন্ধ ছড়ায় এবং রোগ জীবানু ছড়িয়ে পড়ে।
২। পাহাড়ধসের প্রেক্ষিতে অনেকসময় মানুষ খোলা জায়গায় সাময়িকভাবে আশ্রয় গ্রহণ ও পয়ঃ নিষ্কাশন কার্যক্রম সম্পন্ন করে। । |
১ |
|
জলাবদ্ধতা |
১। পানির পাইপ লাইন ও সুয়ারেজ লাইন সাময়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
২। পরিবেশ দুষণ ও রোগ জীবানু বৃদ্ধি
|
১। ০৭ নং পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডে জলাবদ্ধতার প্রেক্ষিতে রাস্তার পাশে নির্মিত অনেকগুলো নলকূপ ও টয়লেট এর পাইপ রয়েছে। অধিক জলাবদ্ধতার সময় ড্রেন, নালার পানির সাথে সমতলের রাস্তার পানিও সমান হয়ে যায়। এইসময় পরিবহন ও মানুষের চলাচলের অসর্তকতার প্রেক্ষিতে রাস্তারপাশে থাকা নলকূপ ও টয়লেটের পাইপ লিকেজ/ ফেটে গিয়ে সাময়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় । এতে মানুষের মল-মূত্র বাইরে ছড়িয়ে পড়তে দুর্গন্ধ ছড়াতে পারে এবং রোগ জীবানুর প্রকোপ ভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
২। ০৭ নং পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডে জলাবদ্ধতার প্রেক্ষিতে রাস্তার পাশে নির্মিত অনেকগুলো নলকূপ ও টয়লেট এর পাইপ রয়েছে। অধিক জলাবদ্ধতার সময় ড্রেন, নালার পানির সাথে সমতলের রাস্তার পানিও সমান হয়ে যায়। এইসময় পরিবহন ও মানুষের চলাচলের অসর্তকতার প্রেক্ষিতে রাস্তারপাশে থাকা নলকূপ ও টয়লেটের পাইপ লিকেজ/ ফেটে গিয়ে সাময়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় । এতে মানুষের মল-মূত্র বাইরে ছড়িয়ে পড়ে দুর্গন্ধ ছড়াতে পারে এবং রোগ জীবানুর প্রকোপ ভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
২। জলাবদ্ধতার প্রেক্ষিতে , ভাসমান, সুবিধাবঞ্চিত ও অসচেতন কিছু মানুষ পরিস্থিতি বিড়ম্বনায় ভালো পয়ঃ নিষ্কাশন ব্যবস্থা না পেয়ে খোলা জায়গায় মল-মুত্র ত্যাগ করে থাকে। |
১ |
|
|
পাহাড়ি ঢল |
১। সুপেয় পানির অভাব ।
২। পয় নিষ্কাশন কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হয়। |
১। ০৭ নং ওয়ার্ডে প্রায় ১০টি পাহাড় রয়েছে, বর্ষাকালীন সময়ে পাহাড়গুলোতে থেকে ব্যাপক বালু ও ময়লাযুক্ত পানি সমতল ও জলাশয়ে আসে, ড্রেন, নালা, খালের পানির সাথে মিশে সুপেয় পানির উৎস সমূহ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
২। পাহাড়ী ঢলের তীব্রতায় অনেকসময় পানি ও পয় নিষ্কাশন এর পাইপলাইন নষ্ট যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। |
২ |
|
|
সাইক্লোন |
১। সুপেয় পানির অভাব দেখা দেয় ।
২। রোগ জীবানুর প্রকোপ ও পরিবেশ দূষণ। |
গাছপালা ও ঘরবাড়ী ভেঙ্গে পড়ে পাইপলাইন নষ্ট এবং বিদ্যুতের খুটি ভেঙ্গে পড়ে বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের ফলে মোটর দ্বারা পানি উত্তোলনে ব্যাঘাত ঘটে। রৌফাবাদ মিয়ার পাহাড়, আমিন কলোনী, টাংকির পাহাড়, খতিবের হাট, রৌফাবাদ বেড়া ফকিরের পাহাড়, রৌফাবাদ ব্যাটালিয়ন পাহাড় এলাকা এতে অধিক ঝুঁকিপুর্ণ।
২। ০৭ নং পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডের উক্ত এরিয়ায় ঘূর্ণিঝড়ের প্রেক্ষিতে বিশেষ করে পাহাড়ী এলাকা সমূহের অনেক স্থানে নলকূপ ও টয়লেট এর পাইপ লিকেজ/ ফেটে গিয়ে সাময়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে । এতে করে বিশুদ্ধ পানির উৎস নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি মানুষের মল-মূত্র বাইরে ছড়িয়ে পড়ে দুর্গন্ধ ছড়াতে পারে।
|
৩ |
|
|
‡RÛvi I Aন্তf‚©w³KiY (নারী, শিশু, বয়স্ক, প্রতিবন্ধী, ইত্যাদি) (Gender and inclusion: ) |
পাহাড় ধ্বস |
১। প্রাণহানী, হতাহত, অঙ্গহানীঃ পাহাড়ধসজনিত কারণে গর্ভবতী নারী, শিশু, বৃদ্ধদের ক্ষেত্রে প্রাণহানী ,হতাহত, অঙ্গহানীর ঘটনা বেশি ঘটছে।
২। নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি।
|
১। এই ওয়ার্ডের ০৫টি পাহাড়ে ( রোফবাদ উত্তর পাড়া (মিয়ার পাহাড়), আমিন কলোনী টাংকির পাহাড়, জুরানবাড়ী, রূপনগর কলোনী, ৯৯ গলির পাহাড়) পাহাড়ে কয়েক হাজার মানুষের ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় বসবাস করছে। গত কয়েকবছরে পাহাড়ধসের ঘটনায় একাধিক স্থানে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে, এতে নারী ও শিশু মৃত্যুর ঘটনায় বেশি। পাহাড়গুলো অনেক উচু এবং অনেকস্থানে পাহাড় কাটার প্রেক্ষিতে আরোবেশী ঝুঁকি হয়ে পড়েছে।
২। সাধারনত অধিক বৃষ্টিতে পাহাড়ধস হয়, এবং এই সময় পাহাড়ি রাস্তা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে ,ফলে গর্ভবর্তী নারী, বৃদ্ধদের বহন করে আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।
১। পাহাড়ধসের প্রেক্ষিতে সাধারণত সংশ্লিষ্ট পাহাড়ী এলাকার অনেকেই বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়ে এবং অধিক বৃষ্টিপাতে পাহাড়ধসের সম্ভাবনা থেকে সাময়িকভাবে কিছু সময় আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নিতে হয়। আশ্রয়কেন্দ্রে নারী, শিশু ও প্রতিবন্ধীদের জন্য সু-ব্যবস্থা না থকায় নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকে একইসাথে শারিরিক , মানসিক ও যৌন হয়রানীর ঝুঁকি থাকে।
|
১ |
|
জলাবদ্ধতা |
১। নারী, শিশু, বয়স্ক, গর্ভবতী, প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীদের প্রতিকুল পরিস্থিতির শিকার ও অবহেলার শিকার
২। পড়ালেখা ও আয় রোজগারে সমস্যার সম্মুখীন হয় |
১। বর্জ্য অব্যস্থাপনায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টির ফলে নারী , প্রতিবন্ধি ও বয়ষ্ক ব্যক্তিরা প্রতিকুল পরিস্থিতিতে বিশুদ্ধ পানি্র অভাব ও হাইজিন সমস্যায় ভোগে এবং পারিপাশ্বিক অবহেলার শিকার হয়।
২। জলাবদ্ধতার প্রেক্ষিতে শিশু শিক্ষার্থী বিশেষ করে প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে বিদ্যালয় গমনে মারাত্মক সমস্যা সৃষ্টি হয়। একই সাথে নারী ও বয়ষ্কদের ক্ষেত্রে আয় রোজগারে পথ অনেকাংশে সংকুচিত হয়।
উল্লেখিত সমস্যাগুলো সামগ্রিকভাবে ০৭ নং ওয়ার্ড সহ চট্টগ্রামের ১৭টি ওয়ার্ডে বিদ্ধমান। |
১ |
|
|
পাহাড়ী ঢল |
নারীঃ ১. গোপনীয়তার অভাবে মানসিক ও শারীরিক সমস্যা। ২. প্রজনন স্বাস্থ্য সমস্যা (স্যানিটারি সামগ্রী ও চিকিৎসার অভাব)। ৩. লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা ও নিরাপত্তাহীনতা।
শিশুঃ ১. পানিতে ডুবে যাওয়া ও দুর্ঘটনা। ২. পুষ্টিহীনতা ও পানিবাহিত রোগ। ৩. শিক্ষা ব্যাহত হওয়া।
বয়স্কঃ ১। দ্রুত নিরাপদ স্থানে যেতে না পারা। ২। দীর্ঘস্থায়ী রোগের জটিলতা। ৩। মানসিক চাপ ও নিঃসঙ্গতা।
প্রতিবন্ধী ব্যক্তিঃ ১। নিরাপদ আশ্রয়ে পৌঁছাতে না পারা। ২। বিশেষ সহায়ক উপকরণ হারানো বা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া। ৩। অবহেলা ও সহায়তা না পাওয়ার কারণে অতিরিক্ত কষ্ট। |
নারীঃ ১. আশ্রয়কেন্দ্রে আলাদা জায়গার অভাব। ২. স্বাস্থ্যসেবা ও জরুরি উপকরণের অভাব। ৩. সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতা।
শিশুঃ ১। খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট। ২। আশ্রয়কেন্দ্রে পর্যাপ্ত শিশু-বান্ধব ব্যবস্থা না থাকা। ৩। বিদ্যালয় ক্ষতিগ্রস্ত বা বন্ধ হয়ে যাওয়া।
বয়স্কঃ ১. শারীরিক দুর্বলতা ও চলাচলের অসুবিধা। ২। ওষুধ ও চিকিৎসা সেবার অভাব। ৩। সামাজিক সহায়তা কমে যাওয়া।
প্রতিবন্ধী ব্যক্তিঃ ১। অবকাঠামোতে প্রবেশযোগ্যতার অভাব। ২। হুইলচেয়ার, শ্রবণ/দৃষ্টি সহায়ক সরঞ্জামের অভাব। ৩। পরিবার ও কমিউনিটির সচেতনতা ও সহায়তার ঘাটতি। |
২ |
|
|
ভূমিকম্প |
১। প্রাণহাণী ও অঙ্গহানী বেশী হয়ে থাকে।
২। মানসিক চাপ/ ট্রমাটাইজড।
৩। বাস্তচ্যুত হয়ে পড়া। |
১। অপরিকল্পিত নগরায়ণ, বিল্ডিং কোড না মেনে বহুতল ভবণ নির্মাণ, পুরোনু ঝরাঝীর্ণ বিল্ডিং এর আধিক্য থাকায় ০৭ নং ওয়ার্ড অনেকাংশেই ভূমিকম্পের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। স্বভাবতই ভূমিকম্পের সময় নারী, গর্ভবতী নারী, শিশু, বয়ষ্কদের ক্ষেত্রে প্রাণহাণী ও অঙ্গহানীর ঘটনা বেশী হবে।
২। লাগোয়া ভবন, সরু রাস্তা, ফায়ার সার্ভিস এর দূরত্ব।
৩। নিকটস্থ বিশেষায়িত হাসপাতাল না থাকায়।
১। ভূমিকম্পজনিত অভিঘাত, শারিরিক- মানসিক বৈকল্যতা/ দূর্বলতার কারণে নারী , শিশু, বয়ষ্ক জনগোষ্ঠীর ক্ষেত্রে মানসিক চাপ সৃষ্টি, ট্রমাটাইজড হওয়ার ঝুঁকি সাধারণত বেশী থাকে।
২। পূর্বাভাস না থাকায় হঠাৎ করে বড় ধরণের বিপর্যয় সহ্য করার ক্ষমতা না থাকা।
৩। নিকটস্থ বিশেষায়িত চিকিৎসাকেন্দ্র না থাকা
৪। কাউন্সিলিং কার্যক্রম না থাকা
১। ভূমিকম্পজনিত অভিঘাতে উল্লেখিত জনগোষ্ঠির বড় একটি অংশ বাস্তচ্যুত হয়ে পড়ে।
|
৩ |
|
|
সাইক্লোন |
১। ঘরবাড়ি ভেঙ্গে নারী, শিশু,বয়স্ক, প্রতিবন্ধীরা বেশী সংখ্যক প্রাণহানী ও হতাহত হয় ২। বাস্তুচ্যুত হয়ে থাকে ৩। শিক্ষা ক্ষেত্রে ড্রপ আউট
|
১। ০৭ নং ওয়ার্ড উদ্ধার কাজে অন্তভুক্তিমূলক স্বেচ্ছাসেবক না থাকায় সাধারণত শিশু,বয়স্ক, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিগণ প্রাণহানী ও হতাহতের সম্মুখীন বেশী হয়।
২। ০৭ নং ওয়ার্ডে ভাসমান জনগোষ্ঠির আধিক্য অনেকবেশি, জলবায়ু বাস্তুচ্যুত হয়ে অনেক মানুষ সংশ্লিষ্ট এলাকায় পূর্ব থেকেই বসবাস করছে। বড় ধরণের ঘূর্ণিঝড়ের প্রেক্ষাপটে সহায় সম্ভল হারিয়ে নারী, শিশু,বয়স্ক, প্রতিবন্ধীরা বাস্তুচ্যুত হওয়ার ঝুঁকি অনেকাংশেই রয়েছে।
৩। সাধারণত সুপার সাইক্লোনের ক্ষেত্রে অভিভাবক হারিয়ে কিংবা পারিপাশ্বিক অভিঘাতে/ মানবিক বিপর্যয়ে সম্মুখীন হয়ে শিশুদের একটি অংশ পড়ালেখা থেকে বঞ্চিত হয়, অনেকক্ষেত্রে স্থায়ীভাবে ড্রপ আউট হয়। এক্ষেত্রে প্রতিবন্ধী শিশুদের ড্রপ আউট হওয়ার সম্ভাবনা অনেকবেশী। |
৩ |
|
|
ডেঙ্গু\ চিকনগুনিয়া |
১। নারী, শিশু, বয়স্ক, গর্ভবতী, প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠী চিকিৎসাজনিত অবহেলার শিকার।
২। আয় রোজগারে বৈষম্যের শিকার।
৩। শিশুদের পড়ালেখায় ব্যাঘাত ঘটে। |
১। তুলনামূলক পিছিয়েপড়া এলাকা হওয়ায় বিশেষ করে পাহাড়ের পাদদেশে অধ্যুষিত জনগোষ্ঠীর মধ্যে অশিক্ষিত এবং স্বল্প আয়ের মানুষের সংখ্যা বেশি, এক্ষেত্রে নারী, শিশু, বয়ষ্ক, গর্ভবতী ও প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠী চিকিৎসাজনিত অবহেলার সম্মুখীন হতে হয়, ফলে তাদের ক্ষেত্রে মৃত্যুহার তুললামুলক বেশী।
২। উল্লেখিত জনগোষ্ঠীর জন্য বিশেষায়িত চিকিৎসা কেন্দ্র না থাকা।
৩। ০৭ নং ওয়ার্ডের নিন্ম আয়ের জনগোষ্ঠীর মধ্যে চিরচারিত সামাজিক বৈষম্য রয়েছে।
১। সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডে নারীদের বড় একটি অংশ গার্মেন্টস, ক্ষুদ্র ব্যবসা সহ নানাবিদ কর্মে নিয়োজিত নিয়োজিত । ডেঙ্গু- চিকুনগুনিয়াজনিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার ফলে নারী শ্রমিকরা সাধারনত আয় রোজগারের বৈষম্যের শিকার হচ্ছে।
১। ডেঙ্গু- চিকুনগুনিয়া প্রাদুর্ভাব এর ক্ষেত্রে দরিদ্র- শিশুরা পাঠদান- পরীক্ষার ক্ষেত্রে অবহেলার শিকার হয়। তারা সাধারণত সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় / সাধারণ মানের স্কুলে পড়ালেখা করে। এক্ষেত্রে অসুস্থতাজনিত কারণে পাঠদান-পরীক্ষার ক্ষেত্রে পিছিয়ে গেলে তাদের পুনরায় সুযোগ প্রদান করা হয়না। |
২ |
|
|
|
অগ্নিকান্ড |
.১। নারী, শিশু, বয়স্ক, প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে অধিক মাত্রায় প্রাণহানি, পুড়ে যাওয়া।
২। মানসিক চাপ ও ট্রমাটাইজড।
৩।বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়া।
৪। শিক্ষাক্ষেরে ড্রপ আউট।
৫। বাল্য বিবাহের সম্মুখীন হয়। |
১। বস্তি এলাকায় ঘনবসতিঃ ওয়ার্ডে প্রায় ০৭ টি বস্তি এলাকা রয়েছে। সেখানে অনেকেই লাকড়ীর চুলা ব্যবহার করে ,সাধারণত লাকড়ির চুলায় নারীরা প্রথমে আক্রান্ত হয়। এবং সামগ্রিকভাবে ঘনবসতির কারণে নারী, শিশু ও প্রতিবন্ধীরা দ্রুত বের হতে পারে না। ২। শারীরিক সীমাবদ্ধতা ও চলাচলের অসুবিধাঃ শিশুদের দুর্বলতা, নারীদের (বিশেষ করে গর্ভবতী), বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীদের পক্ষে দ্রুত আগুন থেকে বের হয়ে আসা কঠিন। ১। অসচেতনতা ও প্রস্তুতির অভাব সাধারণত নারী, শিশু, বয়ষ্কদের ক্ষেত্রে মধ্যে অগ্নিকাণ্ড মোকাবেলায় সচেতনতা ও প্রশিক্ষণ খুবই সীমিত। ১। মানসিক আঘাত ও ট্রমাঃ নারী, শিশু ও প্রতিবন্ধীরা প্রিয়জন হারানো, পুড়ে যাওয়া বা বাস্তুচ্যুত হওয়ার কারণে দীর্ঘমেয়াদী মানসিক চাপ ও ট্রমার শিকার হয়।
১। অগ্নিকাণ্ড জনিত অভিঘাতে উল্লেখিত জনগোষ্ঠির বড় একটি অংশ বাস্তচ্যুত হয়ে পড়ার ঝুকি রয়েছে।
১। অগ্নিকাণ্ড জনিত অভিঘাতে পরিবার, পরিজন হারিয়ে শিশুদের বড় একটি অংশ শিক্ষাক্ষেত্রে নানাভাবে বঞ্চিত হয় এবং ড্রপ আউট হয়ে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে।
১। ০৭ নং বাস্তচ্যুত জনগোষ্ঠির আধিক্য, অর্থনৈতিক অসচ্ছলতার কারণে পরিবার, পরিজন ও সহায় সম্ভল হারিয়ে মেয়ে শিশুদের বড় একটি অংশ আর্থ-সামাজিক কারণে বাল্য বিবাহের সম্মুখীন হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
|
২ |
|
শিক্ষা (Education) |
পাহাড় ধ্বস |
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াতের রাস্তা ভেঙ্গে পাঠদান ব্যহত হতে পারে। |
১। পাহাড়ধসের ফলে পাহাড়ি রাস্তা পিচ্ছিল ও ভরাট হয়ে যায়, এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট এলাকার অনেক শিক্ষাত্থীরা বিদ্যালয়ে আসা সম্ভব হয়ে ঊঠেনা , আবার অধিক বৃষ্টিপাতে প্রেক্ষিতে ০৭ নং ওয়ার্ডের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি স্কুল যথাক্রমে হিলভিউ পাবলিক স্কুল, বন গভেষণাগার উচ্চ বিদ্যালয়, হামজারবাগ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, রহমানিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে আশ্রয়কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়, স্বভাবতই এইসময় পাঠদান ব্যহত হয়। একইসাথে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ওমব্যাট স্কুল অনেকটাই পাহাড়ের উপরে থাকায় সেখানেও পাঠদান মারাত্মকভাবে ব্যহত হয়।
|
১ |
|
জলাবদ্ধতা |
শিক্ষার্থীরা স্কুলে যাবার পথে ড্রেনে পড়ে যাওয়া, আহত হওয়া, পাঠদান ব্যাহত। |
১। সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডে ভারী বর্ষনের ফলে পাহাড় থেকে বালি,মাটি মিশে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়, আবর্জনা নালায় জমে জলাবদ্ধতা হয়।
২। সড়ক সংলগ্ন ড্রেন, নালাগুলো জলাবদ্ধতার প্রেক্ষিতে সমান্তরাল হয়ে যাওয়ায় দুর্ঘটনার ব্যাপক ঝুঁকি রয়েছে।
৩। বিদ্যালয় সংলগ্ন সড়ক সংলগ্ন ডাম্পিং এর ময়লাগুলো রাস্তায় চলে আসায় হাঁটাচলায় বিঘ্নতা সৃষ্টি। ৭ নং ওয়ার্ডের সড়কের পাশে একাধিক উন্মুক্ত ডাম্পিং রয়েছে। |
১ |
|
|
পাহাড়ি ঢল |
১। ০৭ নং ওয়ার্ডে বিদ্যালয় প্লাবিত বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাওয়া। ২। শিক্ষার্থীদের বই-খাতা ও শিক্ষা উপকরণ নষ্ট হয়ে যাওয়া। ৩। দীর্ঘ সময় স্কুল বন্ধ থাকায় শিক্ষায় পিছিয়ে পড়া ও ড্রপআউটের ঝুঁকি। ৪। শিশুদের মানসিক আঘাত ও ট্রমার কারণে পড়াশোনায় আগ্রহ কমে যাওয়া। ৫। মেয়ে শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে স্কুল বন্ধ হয়ে গেলে বাল্যবিয়ে বা ঝরে পড়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি। |
১। বিদ্যালয়ের অবকাঠামো দুর্বল হওয়া (কাঁচা বা পাহাড়সংলগ্ন ভবন)। ২। বিকল্প শিক্ষার ব্যবস্থা (অনলাইন/কমিউনিটি স্কুল) না থাকা। ৩। পরিবারে আর্থিক ক্ষতি হওয়ায় পড়াশোনার খরচ চালাতে না পারা। ৪। বই, খাতা, ইউনিফর্ম ও শিক্ষা উপকরণের অভাব। ৫। আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে স্কুল ব্যবহৃত হওয়ায় দীর্ঘ সময় ক্লাস স্থগিত থাকা। |
২ |
|
|
অগ্নিকান্ড |
১। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পুড়ে যাওয়া / ধ্বংস হয়ে যাওয়া
২। শিক্ষার্থীদের ঘরবাড়ী পুড়ে যাওয়ার প্রেক্ষিতে শিক্ষা উপকরণ পুড়ে যাওয়া / পাঠদান ব্যাহত/ট্রমাটাইজড/ ড্রপ আউট |
১। সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের বিদ্যালয় ও বিদ্যালয়ের আশেপাশে ট্রুটিপূর্ণ ও পুরোনু বৈদ্যুতিক সংযোগ এর কারণে বৈদ্যুতিক শকট সার্কিট ঝুঁকি রয়েছে।
২। কর্ণফূলী গ্যাস কর্তৃপক্ষের নিয়মিত তদারকি না থাকায় গ্যাস বিস্ফোরণের ঝুঁকি রয়েছে।
৩। পাহাড় ও পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসরত শিক্ষার্থীদের অনেক কাঁচা ঘরবাড়ী রয়েছে সেগুলোতে লাকড়ী ও ঝুট জ্বালানী হিসেবে ব্যবহা্রের কারণে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে থাকে।
৪। শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনেকের বাড়ী ঘরে ট্রুটিপূর্ণ বৈদ্যুতিক সংযোগ রয়েছে।
৫। সংশ্লিষ্ট এলাকা থেকে ফায়ার সার্ভিসের দুরত্ব অনেকবেশী হওয়ায় বেশী হওয়ায় তাৎক্ষনিক দুর্ঘটনা রোধ করার সক্ষমতা কম ।
৬। অগ্নিকাণ্ডের প্রেক্ষিতে পরিবারের আর্থিক অসচ্চলতা সৃষ্টির প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের বিদ্যালয় এবং সরকারী পর্যায় থেকে আর্থিক প্রণোদনা না থাকায় ড্রপ আউটের ঝুঁকি রয়েছে।
৭। বিদ্যালয়গুলোতে আর্থিক সচ্চলতা না থাকায় যথাযথ কাউন্সিলিং করা হয়না/ সে ধরণের কোন ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের স্কুলগুলোতে নেই।
|
২ |
|
|
ভূমিকম্প |
প্রাণহানী, আহত হওয়া, ট্রমাটাইজ এবং শিক্ষা বিরতী ও ড্রপ আউট। |
১। চট্টগ্রাম ( আরাকান সাবডাক জোন) এর নিকটবর্তী হওয়ায় এবং ভারতের সাথে বুর্মা প্লেটের সংঘর্ষ এলাকার প্রভাবশীল অংশ। ফলে এটি ভুমিকম্প উৎপাদনে খুব সক্রিয় অঞ্চল।
২। BNBC-20 অনুযায়ী চট্টগ্রাম জোন ( সিসমিক কো অফিসিয়েন্ট ০.28g) শ্রেণীতে পড়ে, যা দেশের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের অন্যতম। ৩। অত্র ওয়ার্ডের প্রায় ৪০ % মানুষ বহুতল ভবনে বসবাস করে।
৩। চট্টগ্রাম মহানগরে অবস্থিত বাড়ীর ৭০% ভবন ম্যাগ্নিচিঊড 7 বা তার উপরের ভূমিকম্পে প্রভাবিত হতে পারে বলে বিশেযজ্ঞের অভিমত। যার প্রভার ০৭ নং ওয়ার্ডেও প্রবল।
৪। চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী অত্র এলাকার বিল্ডিং কোড/ BNBC অনুযায়ী নির্মাণ হয়নি। ৫। ১। সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের শিক্ষার্থীদের অনেকের ঘরবাড়ী ও বিদ্যালয়গুলো ভুমিকম্প সহনশীল নয়।
৬।ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর তথ্য অনুযায়ীও অত্র এলাকা ভূমিকম্পের জন্য অধিক ঝুঁকিপূর্ণ।
৭। নিকটস্থ এলাকায় বিশেষায়িত হাসপাতাল না
৮ । বিদ্যালয়গুলোতে আর্থিক প্রণোদনা ও কাউন্সিলিং ব্যবস্থা না থাকা।
|
৩ |
|
|
ডেঙ্গু\চিকুনগুনিয়া |
আক্রান্ত শিক্ষার্থীদের শিক্ষার্থীদের পাঠদানে ব্যাঘাত ও পিছিয়ে পড়া। |
১। স্বভাবতই মশার উপদ্রব বেশী হয়ে থাকে।
২। ০৭ নং ওয়ার্ডে প্রচুর খোলা ড্রেন, নালা ও নির্মাণাধীন বিল্ডিং এর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আশেপাশের পাহাড়, ঝোপঝাড় থেকে মশার উৎপাদন হয়।
৩। উল্লেখযোগ্য সড়ক ও আবাসনের পাশে খোলা বর্জ্য ডাম্পিং রয়েছে।
৪। সিটি কর্পোরেশন এর লোকবল সংকটের কারণে পর্যাপ্ত ঔষধ ( স্প্রে) ছিটানো হয়না। |
৩ |
|
|
তাপদাহ |
প্রচন্ড গরমে অসুস্থ হয়ে পড়া, হিথস্ট্রোক
|
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পর্যাপ্ত ফ্যানের, সুপের পানির ব্যাবস্থা না থাকা। |
৩ |
|
|
|
মাদকদ্রব্য |
কবরস্থান গলির ভিতরে, আমিন কলোনী মাঠে মাদকদ্রব্য বেশি দেখা যায়। এর ফলে শিক্ষার্থীর একাডেমিক ফলাফল ও মনোযোগের ঘাটতি, সহিংসতা, অশান্তি ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি। নিরাপত্তার সংকট। |
কৌতূহল, বন্ধুদের নেতিবাচক প্রভাব। পরিবার, সমাজের তত্ত্বাবধানের অভাব। সহজলভ্যতা,আইন প্রয়োগের অভাব। |
২ |
|
|
গ্যাস বিস্ফোরণ |
অবকাঠামো নষ্ট হয়, হতাহতের প্রেক্ষিতে পাঠদান ব্যাহত। |
১। আকস্মিক গ্যাস বিস্ফোরণের ফলে শিক্ষার্থীরা আকস্মিক দুর্ঘটনার সম্মুখীন হতে পারে , এতে প্রাণহানি ,আহত হওয়া সহ শিক্ষার্থীদের পাঠদান মারাত্মক ব্যাহত হতে পারে।
|
২ |
|
AeKvVv‡gv I ‡hvMv‡hvM e¨e¯’v (Infrastructure and transport) |
পাহাড় ধ্বস |
১। পাহাড়ধসের প্রেক্ষিতে অবকাঠামো ও যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক ক্ষতি সাধন / প্রাণহাণী/ হতাহত হওয়া। |
১। ০৭ ওয়ার্ডের প্রায় ০৫টি পাহাড়ে ( রোফবাদ উত্তর পাড়া (মিয়ার পাহাড়), আমিন কলোনী টাংকির পাহাড়, জুরানবাড়ী, রূপনগর কলোনী, ৯৯ গলির পাহাড়) পাহাড় রয়েছে যার সবগুলোর সড়ক অপ্রশস্ত এবং ঝুঁকিপূর্ণ।
২। পাহাড় সংলগ্ন আনুমানিক ৩০০ পরিবার রয়েছে যাদের বাড়ীঘর খুবই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ৩। সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের অনেকগুলো বাড়ীঘর ও স্থাপনা পাহাড় কেটে নির্মিত হয়েছে।
৪। চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, সড়ক ও জনপদ, পরিবেশ অধিদপ্তর সহ সংশ্লিষ্ট ডিপার্টমেন্টের লোকবল সংকট ও তদারকির অভাব
৫। পাহাড়কেটে সড়ক নির্মাণের প্রেক্ষিতে অবকাঠামোগত ঝুঁকি তৈরী হয়েছে।
পাহাড়ি পিচ্ছিল রাস্তায় চলতে যেয়ে দূর্ঘটনা, রোগী, গর্ভবতী নারীদের যথাসময়ে মেডিকেলে নিতে পারা |
১ |
|
জলাবদ্ধতা |
যান চলাচলে অসুবিধা ও আর্থ- সামাজিক কার্যক্রম ব্যাহত। |
১। ০৭ নং ওয়ার্ডের অনেকগুলো সড়কের পাশে ড্রেন, নালা ও খানা খন্দক রয়েছে। অধিক বৃষ্টিপাতের প্রেক্ষিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায়সেগুলো ড্রেন, নালা ও খানা খন্দকের পানি ও রাস্তার পানি সমান্তরালে অবস্থান করে।
২। অধিকাংশ রাস্তার কার্পেটিং দুর্বল হওয়ায় জলাবদ্ধতার প্রেক্ষিতে খুব তাড়াতাড়ি সড়ক নষ্ট হয়ে যায় এবং যান চলাচলে অনেকাংশে অনুপযোগী হয়ে পড়ে।
৩। সড়ক ব্যবস্থা অনুপযোগী হওয়ায় যোগাযোগ কাঠামো মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়। ৪। স্থানীয় পর্যায়ে জনপ্রতিনিধি / কাউন্সিলর না থাকায় যথাযথ সংস্কার কার্যক্রম ব্যাহত হয়। ৫। ড্রেন ও খালে প্লাস্টিক বর্জ্যের আধিক্য, ড্রেন, নালা, খাল সমূহ নিয়মিত পরিষ্কার/ ড্রেজিং করা হয়না। ৬। অপরিকল্পিত নগরায়ণের প্রেক্ষিতে পানি নিষ্কাষণ পথ অনেকাংশে বন্ধ হয়ে যায়। ৭। অধিক বৃষ্টির পানি ও সৃষ্ট পাহাড়ী ঢলের পানি একসাথে হয়ে জলাবদ্ধতার ঝুঁকি বৃদ্ধি করে। ৯। চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের কার্যক্রমের দীর্ঘসূত্রিতা । ১০। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, চট্টগ্রাম ঊন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, সড়ক ও জনপথ, ওয়াসা, পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্যক্রমে সমন্বয়ের অভাবে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কর্তৃপক্ষ খুঁড়াখুঁড়ির প্রেক্ষিতে যোগাযোগ সংস্কার ব্যহত/ অব্যবস্থাপনা / কাঠামোগত অধিকতর ঝুঁকি বৃদ্ধি করছে। |
১ |
|
|
পাহাড়ি ঢল |
যোগাযোগ ব্যাহত, অবকাঠামোগত ক্ষতি। |
পাহাড়ি ঢলের সাথে রাস্তা পিচ্ছিল ও মাটি-আবর্জনায় রাস্তা ভরাট হতে পারে। |
২ |
|
|
অগ্নিকান্ড |
সাময়িকভাবে সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত , বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন , আর্থ সামাজিক ব্যবস্থা ব্যাহত। |
১। ০৭ ওয়ার্ডে অনেকগুলো কাঁচা ঘরবাড়ী ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সড়ক সংলগ্ন হওয়ায় অগ্নিকাণ্ডে সাময়িক হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। ২। বৈদ্যুতিক অব্যবস্থাপনা ও শকট সার্কিটের কারণে বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন হয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে। ৩। ক্যামিকেল ও পোড়া মবিল এর দোকানপাট অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি তৈরী করছে। ৪। সড়ক ও বাসাবাড়ী সংলগ্ন গ্যাস সিলিণ্ডারের দোকান অগ্নিকাণ্ডের অধিকতর ঝুঁকি তৈরী করছে। ৫। নিকটস্থ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল সার্ভিস সেন্টার না থাকা ৬। সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডে পর্যাপ্ত প্রশিক্ষিত ভলান্টিয়ার না থাকা। |
২ |
|
|
ভূমিকম্প |
অবকাঠামোগত কাঠামো ধ্বংস , যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হওয়া এবং প্রাণহাণী ও হতাহতের সংখ্যা বৃদ্ধি। |
১। চট্টগ্রাম ( আরাকান সাবডাক জোন) এর নিকটবর্তী হওয়ায় এবং ভারতের সাথে বুর্মা প্লেটের সংঘর্ষ এলাকার প্রভাবশীল অংশ। ফলে এটি ভুমিকম্প উৎপাদনে খুব সক্রিয় অঞ্চল।
২। BNBC-20 অনুযায়ী চট্টগ্রাম জোন ( সিসমিক কো অফিসিয়েন্ট ০.28g) শ্রেণীতে পড়ে, যা দেশের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের অন্যতম। ৩। অত্র ওয়ার্ডের প্রায় ৩০% মানুষ বহুতল ভবনে বসবাস করে।
৩। চট্টগ্রাম মহানগরে অবস্থিত বাড়ীর ৭০% ভবন ম্যাগ্নিচিঊড 7 বা তার উপরের ভূমিকম্পে প্রভাবিত হতে পারে বলে বিশেযজ্ঞের অভিমত। যার প্রভার ০৯ নং ওয়ার্ডেও প্রবল।
৪। চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী অত্র এলাকার বিল্ডিং কোড/ BNBC অনুযায়ী নির্মাণ হয়নি। ৫।০৭ নং ওয়ার্ডের অধিকাংশ ঘরবাড়ী, অফিস, আদালত ও বিদ্যালয়গুলো ভুমিকম্প সহনশীল নয়।
৬। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর তথ্য অনুযায়ীও অত্র এলাকা ভূমিকম্পের জন্য অধিক ঝুঁকিপূর্ণ।
৭। নিকটস্থ এলাকায় বিশেষায়িত হাসপাতাল না
৮। পাহাড় ও পাহাড়ের পাদদেশে দুর্বল অবকাঠামোগত ব্যাপক স্থাপনা নির্মাণ
৯। সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের অধিকাংশ অবকাঠামোগত স্থাপনা লাঘোয়া এবং সরু এতে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্চিন্ন হওয়ার মারাত্মক ঝুঁকি রয়েছে।
১০। নিকটস্থ এলাকায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স নেই
১১। বিদ্যুৎ এবং ইন্টার সংযোগ ব্যবস্থাপনা দুর্বল।
১১। সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড অফিসে ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি কমানোর আধুনিক সরঞ্জাম/ উদ্ধার উপকরণ নেই।
১২। সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডে পর্যাপ্ত প্রশিক্ষিত ভলান্টিয়ার নেই।
|
৩ |
|
|
গ্যাস বিস্ফোরণ |
সাময়িকভাবে যোগাযীগ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যেতে পারে , যার প্রতিক্রিয়ায় প্রাণহাণী, সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড এর দুই তৃতীয়াংশ এলাকা উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কারণে গ্যাস বিস্ফোরণের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ এতে অবকাঠামোগত পূড়ে যেতে পারে এবং বিকলাঙ্গ, মানসিক ভারসাম্যহীনতা ও সহায় সম্পদ হারানোর ব্যাপক ঝুঁকি রয়েছে। |
১। মূল সড়ক, অলিগলিতে প্রচুর সংখ্যক এলপিজি সিলিণ্ডার এর দোকান রয়েছে। ২। অনেক স্থানে পুরোনু অবকাঠামোগুলোতে লাইনের গ্যাস রয়েছে ৩। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ( কর্ণফূলী/ বাপেক্স) যথাযথ তদারকি করছেনা ৪। ওয়ার্ডে ১ টি ফিলিং স্টেশন রয়েছে ৫। নিকটস্থ এলাকায় ফায়ার সার্ভিস নেই । |
৩ |
|
|
সাইক্লোন |
১। কাঁচা ঘরবাড়ী ভেঙে পড়া , সড়কপথ বাধাগ্রস্ত হওয়া ও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়া। |
১। পাহাড় ও পাহাড়ের পাদদেশে শতশত কাঁচা ঘরবাড়ী রয়েছে। ২। সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের অনেকগুলো সড়ক পাহাড় সংলগ্ন। এতে গাছপালা ভেঙে সড়কপথ বাধাগ্রস্ত হতে পারে এতে যোগাযোগ ব্যাবস্থা সাময়িক বন্ধ হওয়ার ব্যাপক ঝুঁকি রয়েছে। এতে অর্থনীতি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব পড়ার ঝুঁকি রয়েছে।
৩। ঘূর্ণিঝড়ের প্রেক্ষিতে দুর্বল/ অব্যাবস্থাপনার (বিদ্যুতের খুঁটির সাথে সংযোগ) প্রেক্ষিতে ইন্টারনেট সংযোগ সহ ডিজিটাল যোগাযোগ ব্যবস্থা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।
৪। সাধারণত ঘূর্ণিঝড়ে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
|
৩ |
|
|
K…wl (Agriculture) |
পাহাড় ধ্বস |
ফসল নষ্ট, উর্বরতা হ্রাস, সেচকাজ ব্যাহত। |
১। পাহাড়ী এলাকার পাদদেশে সামান্য কিছু অংশে কৃষি আবাদ হয়, কৃষি জমিগুলোতে পাহাড়ধসের প্রেক্ষতে পাহাড়ের মাটি ,বালি পড়ে সাময়িকভাবে ফসল নষ্ট হয়, জমির ১। ০৭ নং পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ড পাহাড় অধ্যুষিত এলাকা, এবং পাহাড়ধসের জন্য অধিকতর ঝুকিপূর্ণ। উর্বরতা নষ্ট ও সেচকাজ ব্যহত হয়। ২। পাহাড় সংলগ্ন গাইড ওয়াল নেই ৩। ভূমি দস্যুদের প্রভাবে পাহাড় কাটা হচ্ছে। ৪। পাহাড়ের বৃক্ষগুলো নির্বিচারে কর্তণ করা হচ্ছে। |
১ |
|
জলাবদ্ধতা |
ফসল নষ্ট, বীজ নষ্ট, উর্বরতা হ্রাস। |
পোকামাকরের বৃদ্ধির কারণে ফসলের জমি নষ্ট, জমিতে ব্যবহারকৃত কীটনাশক পানিতে মিশে বিষক্রীয়া। |
২ |
|
|
সাইক্লোন |
ফসলের ক্ষতি,কৃষি কাজ ব্যাহত হয়
|
০৭ নং পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডের সামান্যকিছু কৃষি জমি রয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের সাধারণত গাছপালা ভেঙ্গে পড়ে এবং ফসলি জমির ফসল নষ্ট হয়। |
৩ |
|
|
cÖvYx m¤ú` (Livestock) |
পাহাড় ধ্বস |
১। গবাদি পশু মারা যায়, পশু রাখার বিকল্প জায়গা থাকে না, হারিয়ে যায়, চুরি হয়ে যায়। |
১। এই ওয়ার্ডে পাহাড়ের আশেপাশে বেশ কয়েকটা গবাদী পশুর খামার রয়েছে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট এলাকার কিছু মানুষ গরু, ছাগল, হাঁস মুরগী লালন পালন করে থাকে। এতে বড় ধরণের পাহাড়ধসের প্রেক্ষিতে মারা যাওয়া, আহত ও হারিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
২। পাহাড়ের পাদদেশে গবাদী পশুর আশ্রয়ের জন্য বিকল্প স্থানের অভাব রয়েছে।
৩। গবাদী পশুর জন্য কোন শেল্টার এর ব্যবস্থা নেই। |
১ |
|
জলাবদ্ধতা |
রোগব্যাধি, খাদ্য সংকট। |
দূষিত পানিতে রোগ ছড়ায়, পানির কারণে সংকট দেখা দেয়। |
২ |
|
|
অগ্নিকান্ড |
জীবণ ঝুকি, আবাসস্থল নষ্ট।
|
১। গবাদী পশুর খমারগুলোতে বৈদ্যুতিক অব্যবস্থনা প্রেক্ষিতে কিছুটা ঝুঁকি রয়েছে।
২। নিকটস্থ ফায়ার সার্ভিস নেই, ফায়ার সার্ভিসের গাড়ী প্রবেশের পথ সুগম নয়।
৩। অপ্রাকৃতিক কারণে বা জন সচেতনতার অভাবে |
৩ |
|
|
grm¨ m¤ú` (Fisheries) |
পাহাড় ধ্বস |
খাল-বিল-পুকুর ভরাট। |
পাহাড়ের পাশাপাশি অবস্থিত। |
১ |
|
জলাবদ্ধতা |
৭-৮ টি জলাশয়ের মাছ ভেসে যেতে পারে। আনুমানিক ৩০-৪০ জন মতস্যজীবি আর্থিক ক্ষয়ক্ষতির স্বীকার হবে। |
জলাবদ্ধতায় মাছ ভেসে অন্যত্র চলে যেতে পারে। |
২ |
|
|
অগ্নিকান্ড |
মাছ মারা যাওয়া, রোগজীবানু বৃদ্ধি। |
তেজস্ক্রীয়ার প্রভাব। |
৩ |
|
|
Ab¨vb¨ (যেমন- সুরক্ষা, ইত্যাদি) Others (Such as Protection) |
পাহাড় ধ্বস |
শারীরিক, মানসিক, যৌন হয়রানি, চুরি-ডাকাতি, সম্প্রদায়ভিত্তিক সমস্যা। |
আশ্রয়কেন্দ্রে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ও হাইজীন কিট না থাকা। |
১ |
|
পানিতে ডুবে মৃত্যু |
মারা যাওয়া |
পানিতে ডুবে মৃত্যু |
২ |
| ঝুঁকি হ্রাসের কার্যকরী উপায়/ পদক্ষেপ SyuwK n«v‡mi Kvh©Kix Dcvq/ c`‡¶c
Risk Reduction Action plan |
KLb When (timeline) |
‡Kv_vq
(Where) |
‡K/‡Kvb wWc©vU‡g›U/ms¯’vi `vwqZ¡
(Responsible organization/ group/ person/ department) |
Awfó Rb‡Mvôx (msL¨v)
Target Population (Number) |
m¤¢ve¨ ev‡RU (UvKv)
Probable Budget |
c«‡qvRbxq mn‡hvMxZv
Necessary Support |
we‡eP¨ welq
Remarks |
|
|
পুর্বাভাস ভিত্তিক আগাম কার্যক্রম সময়কাল
(Time period within lead time) |
সারাবছর/যেকোন উপযুক্ত সময়
(Round the year/ Any suitable time) |
|||||||
|
চসিক\ দুর্যোগ কমিটির মিটিং |
৭ দিন আগে |
যেকোনো সময় |
ওয়ার্ড কার্যালয় \ চসিক |
চসিক\ডিএমসি |
ঝুকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী |
১০০০০/= |
স্বেচ্ছাসেবক |
|
|
আগাম সতর্কবার্তা প্রচার (মাইকিং) |
১-৩ দিন আগে |
পূর্বাভাস পাওয়ার পর |
ঝুকিপূর্ণএরিয়ায় |
ভলান্টিয়ার, সিটি কর্পোরেশন, ডব্লিউডিএমসি,এনজিও |
ঝুকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী |
১৫০০০/= |
মহল্লা কমিটি |
|
|
আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করা |
৩-৪ দিন আগে |
দুর্যোগের পূর্বে |
ওয়ার্ডের সুবিধাজনক স্থানে। |
সিটি কর্পোরেশন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি/ নগর স্বেচ্ছাসেবক |
দুর্যোগের প্রেক্ষিতে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী |
১০০০০০/= |
ভলান্টিয়ার, মহল্লা কমিটি, এনজিও |
নারী পুরুষের জন্য আলাদা ব্যবস্থা, টয়লেট ও বিশেষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া |
|
মশা প্রতিরোধক ব্যবস্থা |
বর্ষাকালে |
ডেঙ্গু/ চিকুনগুনিয়ার ঋতুকাল ( জুন-সেপ্টেম্বর) |
সমগ্র ওয়ার্ড |
সিটি কর্পোরেশন |
সকল বাসিন্দা |
২০০০০/= |
মহল্লা কমিটি |
ঔষুধ ছিটানো,বর্জ্য ব্যবস্থাপনা |
|
যাতায়াত ব্যবস্থাপনা |
২-১ দিন পূর্বে |
দুর্যোগের পূর্বে |
ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা বিবেচনায় |
জেলা প্রশাসন/ চসিক |
ঝুকিপূর্ণ |
৫০০০০/= |
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি |
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি |
|
অন্তর্ভুক্তিমূলক জনগোষ্ঠী ও সমস্যা চিহ্নিত করা |
১-৩ দিন আগে |
দুর্যোগের পূর্বে |
ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা বিবেচনায় |
জেলা প্রশাসন/ চসিক/ এনজিও |
ওয়ার্ডের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় অন্তর্ভুক্তিমূলক জনগোষ্ঠী |
৫০০০০/= |
ওয়ার্ড দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি |
|
| ক্রমিক নং | ঝুঁকি নিরসনের উপায় (Scheme) সমূহ | জলবায়ু ঝুঁকি বিবেচনা: জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি কি আমলে নেয়া হয়েছে? | এই পদক্ষেপ কি জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলতে পারে? | প্রস্তাবিত ঝুঁকি হ্রাসের পদক্ষেপ কি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের কারণে বিপদাপন্ন? | জলবায়ুর সঙ্গে খাপ খাওয়ানো: প্রস্তাবিত পদক্ষেপ জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারবে কিনা? |
|
১ |
আশ্রয়কেন্দ্রের প্রস্তুতি সম্পুর্ণ করা |
হ্যাঁ |
না |
হ্যাঁ |
হ্যাঁ |
|
২ |
৭০ ফুট কাঁচা রাস্তা সংস্কার / চলাচল উপযোগী করা ( ২ স্থানে) |
হ্যাঁ |
না |
হ্যাঁ |
হ্যাঁ |
|
৩ |
১২০ ফুট কাচা রাস্তা চলাচল উপযোগী করা |
হ্যাঁ |
না |
হ্যাঁ |
হ্যাঁ |
|
৪ |
১৮০ ফুট রাস্তা চলাচল উপযোগী করা |
হ্যাঁ |
না |
হ্যাঁ |
হ্যাঁ |
|
৫ |
৫০ ফুট রাস্তা চলাচল উপযোগী |
হ্যাঁ |
না |
হ্যাঁ |
হ্যাঁ |
| নং | বিবরণ | ওয়ার্ড নং |
|
১ |
ওয়ার্ডে মোট জনসংখ্যা (নারী/পুরুষ/শিশু/অন্যান্য) |
মোট ৫,১৫,৬৪১ জন (পুরুষ ২,৬২,৭৭৬, মহিলা ২,৫২,৮৬৪, হিজড়া ০) |
|
২ |
আয়তন (বর্গ কিমি) |
৩.১৬ |
|
৩ |
অভিবাসীর সংখ্যা |
৩০০ জন |
|
৪ |
অধিকাংশ মানুষের পেশা |
দিনমজুর, শ্রমিক |
|
৫ |
পাহাড়ে বসবাসকারীদের পেশা |
দিনমজুর, গার্মেন্টস শ্রমিক |
|
৬ |
মাসিক আয় (আনুমানিক) |
১৫,০০০ টাকা |
|
৭ |
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনা |
২টি মাদ্রাসা, ৩টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১টি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ১১টি ব্যাংক |
|
৮ |
প্রধান দুর্যোগ |
পাহাড়ধস, অতিবৃষ্টিজনিত জলাবদ্ধতা |
|
৯ |
অতীত দুর্যোগের ইতিহাস |
আমিন কলোনী ও টাংকির পাহাড়ে পাহাড়ধস (২০১৪: মৃত ১, ২০১৫: মৃত ৩) |
|
১০ |
প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা |
মাইকিং, আশ্রয়কেন্দ্রে স্থানান্তর, আবহাওয়া পূর্বাভাস প্রচার |
|
১১ |
প্রশাসনিক ও এনজিও উদ্যোগ |
উদ্ধার, আশ্রয়, ত্রাণ ও রান্না করা খাবার বিতরণ, আর্থিক অনুদান; সিটি কর্পোরেশন, জেলা প্রশাসন ও এনজিও সক্রিয় |
|
১২ |
আশ্রয়কেন্দ্র সংখ্যা ও ধরন |
২টি (আলহেরা মাদ্রাসা, রৌফাবাদ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়) |
|
১৩ |
নারী, শিশু, প্রতিবন্ধী, বৃদ্ধদের সুবিধা |
শুধুমাত্র থাকার ব্যবস্থা; নিরাপত্তা, টয়লেট, পানি ঘাটতি |
|
১৪ |
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি ও স্বেচ্ছাসেবক দল |
আছে |
|
১৫ |
মহিলা কাউন্সিলর |
জেসমিন পারভীন জেসী (০১৮১১-৩৯৪২৮১) |
|
১৬ |
পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর তালিকা |
মোট পরিবার ও জনসংখ্যার তথ্য আছে, তালিকা নেই |
|
১৭ |
কৃষিজমি ও কৃষি কর্মসংস্থান |
নেই |
|
১৮ |
বিদ্যুৎ, পানি ও অন্যান্য সেবা |
পাহাড়ি এলাকায় অপর্যাপ্ত |
|
১৯ |
আবহাওয়া/দুর্যোগ তথ্য প্রচার |
জেলা প্রশাসন, ওয়ার্ড অফিস ও স্বেচ্ছাসেবক সংগঠনের মাইকিং |
|
২০ |
এনজিও ও কর্মসূচি |
CDC, DSK, YPSA |
| নং | বিষয়বস্তু (বাংলা) | Content (Eng) | বিবরণ (Description) |
|
কোন এলাকা (মহল্লা) পরিদর্শন করা হয়েছে এবং কোন দিক থেকে কোন দিকে হাঁটা হয়েছে |
Name of the locality (Mohalla) visited and the walking route |
বৌদ্ধাবাদ কলোনি: গ্যাসপাড় মোড় থেকে বৌদ্ধ ফ্ল্যাট গার্ডেন, এরপর বৌদ্ধ রেল সড়কের দু’পাশে ধনমণ্ডল গলি, সামনে তিন রাস্তায় রোড, যার ভিতরে আজিজ গলি, নামে মহাজনসেবা রোড (বেকরগঞ্জ গলি), সামনে দিয়ে আরাম স্কুল এবং বৌদ্ধাবাদ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ। মসজিদ গলির বামে বৌদ্ধাবাদ আজিজ গলি থেকে বৌদ্ধাবাদ রেল ট্র্যাক (মিয়ার পাহাড়) এর উত্তর দিকে জঙ্গলা, এরপর পূর্ণাঙ্গভাবে তিন রাস্তা হয়ে ইসলামিয়া গলি।তিন রাস্তায় মোড়ের মহাজনসেবা রোড পাশে রয়েছে স্কুল, ডেকোরেশন দোকান, বাড়িগলি, মেটেলিক গলি, স্কুল গলি, স্কুলক্যাম্পাস ও ইনামাবাড়ি, যার পাশে রয়েছে বৌদ্ধাবাদ ব্রিজ।এরপর বৌদ্ধাবাদ ব্রিজ হয়ে বাসাখালি গলি, শহীদ মিনার, স্কুল গলি, ডিউটি পুলিশ গলি, পানির ট্যাংক, বিপ্লব গলির কাঁচাগলি, খাল মেরামতের গলি, ইসলামিয়া গলি, লালমিয়া গলি, বৌদ্ধাবাদ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পার হয়ে মাঝার গলি ও তিন রাস্তায় মোড় মিলিত হয়েছে।সুরিয়া মাস্টার রোড: বিবিরহাট থেকে সুরিয়া মাস্টার গেইট, এরপর বামে নির্মল সিংহ বিল্ডিং, রেল সড়ক পারে যথাক্রমে শান্তিবাগ আনসারিক সোসাইটি, এরপর আলম সোসাইটি, হোটেল এর বামে বড়ই চান বাড়ি রোড, পাশের আলি গলি, মহেশখাল, কলাবাগান এলাকা হয়ে বেইলি খাল।নবীন নগর কলোনি: বায়েজিদ থানা স্কুল, রাহমানিয়া স্কুল, রেল লাইন, ক্যামেলিয়া স্কুল, বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট, প্রাইমারি ইসলামিক ইনস্টিটিউট, গডাউন কমিউনিটি এলাকা, মারকাজুল নূর মাদরাসা, হিলভিউ ইসলামিক একাডেমিক মাদরাসা, হিলভিউ মসজিদ, নবীন নগর তৈয়োবার সুরিয়া মাস্টার ও মহাজন ক্লিনিক হয়ে আলীনগর পর্যন্ত শেষ করা।আমিন উদ্দিন সিটি: উদ্যান স্কুল, যাকেজে ওয়াটার ট্যাংক পাশে মায়াম গলি হয়ে আমিন রোড থেকে আলীনগর, টেইলার্স স্কুল ইনস্টিটিউট হয়ে উত্তর আমিন ইনস্টিটিউট মাঠে পরিদর্শন।এরপর আমিন কলোনি হয়ে ফুলনগর কলোনি, কলোনি এরিয়া খাল, রাখার বাড়ি ও এম এস ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট হয়ে এলাকা হয়ে বায়েজিদ থানা রোডে শেষ।শান্তিনগর করবস্থল ও ব্রিজ: গ্যানার প্রজেক্টের এন ডি ডি, এর মধ্যে রয়েছে শান্তিনগর খাল, শান্তিনগর আবাসিক এলাকা, শান্তিনগর ব্রিজ কলোনি পায়খানা। সাধারণ পাহাড় হয়ে শান্তিনগর কৃষ্ণনগর ইনস্টিটিউট এর নং ১ নং সড়ক থেকে বিশ্বনাথ ইনস্টিটিউট, বায়েজিদ ইনন কো-অপারেটিভ সোসাইটি, হারুন উল্লাহ টাওয়ার আবাসন, হাজীর উত্তর ভাইনগর কৃষ্ণনগর ইনস্টিটিউট ও দুর্গাপাহাড় হয়ে পরিদর্শন শেষ।০৪ নং ওয়ার্ড: শহীদ আলমনিয়ার সড়ক থেকে নতুন নগর ইনস্টিটিউট এন ডি ডি, এনডিম সিরাজুল ইনস্টিটিউট, ইদগাহ মসজিদ, শান্তিনগর রোড পর্যন্ত শেষ করা। |
|
|
ট্রানসেক্ট ওয়াক টিমের সদস্যদের নাম ও মোবাইল নম্বর |
Name and mobile number of the transect walk team members |
মোঃ হাসিবুল খান – ০১৭৪৩৮৮৮৪৮২আলমগীর ইসলাম – ০১৮১০১৩১৫৯৪নিদা জান্নাত জেরিন – ০১৮৩৬৬৫২৩৭৭আবুল খায়ের সোহান – ০১৮৮০৬১৪১১৮ |
|
|
আবাসনের অবস্থা |
Housing condition |
কাঁচা ঘর, টিনের ও বেড়ার ঘর, আধা পাকা ও পাকা ঘরের সংখ্যা বেশি। |
|
|
4. |
সামগ্রিক সামাজিক-অর্থনৈতিক অবস্থা ও প্রধান জীবিকা |
Overall socio-economic status and major livelihoods |
অধিকাংশ বাসিন্দা নিম্ন ও মধ্য-আয়ের মানুষ। প্রধান পেশা শ্রমিক, রিকশা চালক, ছোট দোকানি, দর্জি, হকার ও ক্ষুদ্র ব্যবসা। নারীদের মধ্যে কেউ কেউ গার্মেন্টস শ্রমিক, বাসায় কাজ করেন। অনেকেই দিনমজুর হিসেবে কাজ করেন এবং তাদের আয় অনিয়মিত। |
|
5. |
রোড নেটওয়ার্ক ও পরিবহন ব্যবস্থা |
Road network & transportation system |
প্রধান রাস্তাগুলো পাকা হলেও অনেক উপ-গলি ও আবাসিক সড়ক ভাঙাচোরা। কিছু জায়গায় ইটের সলিং ও কাঁচা পথ রয়েছে। বৃষ্টিতে চলাচলে সমস্যা হয়। জরুরি সেবা যেমন অ্যাম্বুলেন্স ও অগ্নিনির্বাপক যান প্রবেশে সীমাবদ্ধতা আছে। |
|
6. |
ড্রেনেজ নেটওয়ার্কের অবস্থা |
Drainage network & condition |
প্রধান ও উপ-ড্রেন বেশিরভাগ এলাকায় সরু ও অপরিষ্কার। অনেক ড্রেনে পলিথিন, ময়লা ও বর্জ্য জমে থাকে, যার ফলে বৃষ্টির সময় পানি জমে। কিছু এলাকায় ঢাল না থাকায় পানি নামতে বিলম্ব হয়। |
|
7. |
জলাশয়ের উপস্থিতি ও বর্তমান অবস্থা |
Water bodies – availability & condition |
এলাকায় ছোট বড় পুকুর ও খাল রয়েছে, তবে অধিকাংশই ভরাট ও নোংরা অবস্থায়। কিছু জলাশয় অবৈধ দখলে রয়েছে। বৃষ্টির পানি নামার প্রধান পথ অনেক ক্ষেত্রে অবরুদ্ধ। |
|
|
ময়লা ফেলার ব্যবস্থার অবস্থা |
Garbage dumping arrangement |
কিছু এলাকায় সিটি কর্পোরেশনের ডাস্টবিন আছে, কিন্তু অধিকাংশ মানুষ খোলা স্থানে ময়লা ফেলে। নিয়মিত বর্জ্য সংগ্রহের অভাব এবং জনসচেতনতার ঘাটতি রয়েছে। |
|
8. |
বিদ্যুৎ লাইনের অবস্থা |
Electricity distribution line |
খোলা তার, ঝুলন্ত সংযোগ ও অপরিকল্পিত লাইন দেখা গেছে। পুরনো খুঁটি ও তার ঝুঁকি সৃষ্টি করছে, বিশেষত স্যাঁতসেঁতে ও নিম্নাঞ্চলে। |
|
9. |
উন্মুক্ত স্থান: খেলার মাঠ / ঈদগাহ / পার্ক |
Open spaces – playground / Eidgah / park |
খুব কম সংখ্যক উন্মুক্ত স্থান রয়েছে। কয়েকটি বিদ্যালয়ের মাঠই শিশু-কিশোরদের একমাত্র খেলাধুলার জায়গা। কোন পার্ক বা সবুজায়ন কার্যক্রম চোখে পড়েনি। |
|
10. |
গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো (ফায়ার / পুলিশ / স্বাস্থ্য / শিক্ষা / ধর্মীয়) |
Key infrastructure (fire / police / health / education / religious) |
এলাকায় বেশ কয়েকটি বিদ্যালয়, মাদরাসা ও মসজিদ রয়েছে। স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রীয়ভাবে দুর্বল—ছোট ফার্মেসি ও প্রাইভেট ক্লিনিক নির্ভর। ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ স্টেশন দূরে অবস্থিত। |
|
11. |
প্রধান ঝুঁকি ও এক্সপোজারের কারণ |
Major hazards & causes of exposure |
পাহাড়ধস, জলাবদ্ধতা, অপরিষ্কার ড্রেনেজ, অগ্নিকাণ্ড ও বর্জ্যজট এলাকায় প্রধান ঝুঁকি। কিছু ঘর পাহাড়ের ঢালে অবস্থিত, যা বর্ষায় ঝুঁকিপূর্ণ। নালা-খালে ময়লা ফেলা ড্রেন বন্ধের অন্যতম কারণ। |
|
12. |
ঝুঁকি হ্রাসের সম্ভাব্য উদ্যোগ / সম্ভাবনা |
Opportunities to reduce risk |
ড্রেন ও খাল নিয়মিত পরিষ্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ।পাহাড়ের ঢালে রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণ।বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও সচেতনতা বৃদ্ধি।জরুরি সড়ক প্রশস্তকরণ ও আলো স্থাপন।কমিউনিটি-ভিত্তিক দুর্যোগ প্রস্তুতি প্রশিক্ষণ। |
|
13. |
রসায়নিক পদার্থের গুদাম (গোডাউন): কোথায়, কতটি |
Chemical godowns – where & how many |
আবাসিক এলাকায় ছোট কিছু রঙ, পেইন্ট ও কেমিক্যালের দোকান রয়েছে, তবে বড় আকারের গুদাম শনাক্ত হয়নি। |
|
14. |
কমিউনিটির বিশেষ / উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য |
Special / remarkable features of community |
এলাকায় কিছু স্বেচ্ছাসেবী যুবসংগঠন আছে যারা সামাজিক কাজে অংশগ্রহণ করে। ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি বজায় আছে। |
|
15. |
অংশগ্রহণকারীদের নাম্বার তালিকা সংরক্ষণ |
List of participant names & mobile numbers |
পরিদর্শনে অংশগ্রহণকারী টিমের সদস্য ও স্থানীয় প্রতিনিধিদের নাম ও মোবাইল নম্বর সংরক্ষণ করা হয়েছে। |
|
16. |
সামগ্রিক সামাজিক-অর্থনৈতিক অবস্থা ও প্রধান জীবিকা |
Overall socio-economic status and major livelihoods |
অধিকাংশ বাসিন্দা নিম্ন ও মধ্য-আয়ের মানুষ। প্রধান পেশা শ্রমিক, রিকশা চালক, ছোট দোকানি, দর্জি, হকার ও ক্ষুদ্র ব্যবসা। নারীদের মধ্যে কেউ কেউ গার্মেন্টস শ্রমিক, বাসায় কাজ করেন। অনেকেই দিনমজুর হিসেবে কাজ করেন এবং তাদের আয় অনিয়মিত। |
| নং | List of options as proposed in the RRAP | GIS Expert | WASA/BWDB | Gas | Electricity | Climate Expert | Inclusion Expert |
|
মিটিং (চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন\ওয়ার্ড দূর্যোগ ব্যাবস্থাপনা কমিটি) |
ü |
ü |
- |
- |
ü |
ü |
|
|
আগাম সতর্কবার্তা প্রচার করা |
ü |
ü |
- |
- |
ü |
ü |
|
|
3. |
ঝুকিপূর্ণ ঘরগুলো চিহ্নিত করা |
ü |
ü |
- |
- |
ü |
ü |
|
4. |
আশ্রয়কেন্দ্রের প্রস্তুতি সম্পুর্ণ করা |
ü |
ü |
- |
- |
ü |
ü |
|
5. |
৭০ ফুট কাঁচা রাস্তা সংস্কার / চলাচল উপযোগী করা ( ২ স্থানে) |
ü |
ü |
- |
- |
ü |
ü |
|
6.
|
১২০ ফুট কাচা রাস্তা চলাচল উপযোগী করা |
ü |
ü |
- |
- |
ü |
ü |
|
7.
|
১৮০ ফুট রাস্তা চলাচল উপযোগী করা |
ü |
ü |
- |
- |
ü |
ü |
|
8. |
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি ও ভলান্টিয়ারদের সমন্বয় সভা ও টাস্কফোর্স গঠন |
ü |
ü |
- |
- |
ü |
ü |
|
9. |
ঝুকিপূর্ণ পরিবারের তালিকা প্রস্তুত করণ |
ü |
ü |
- |
- |
ü |
ü |
|
10. |
ঝুঁকির ম্যাপ প্রস্তুতকরণ |
ü |
ü |
- |
- |
ü |
ü |
|
11. |
প্রতিবন্ধী, বয়ষ্কদের তালিকা প্রস্তুতকরণ |
ü |
ü |
- |
- |
ü |
ü |
|
12. |
দুগ্ধদান কেন্দ্র স্থাপন |
ü |
ü |
- |
- |
ü |
ü |
|
13. |
পূর্বাভাসভিত্তিক অর্থ ব্যবস্থাপনা |
ü |
ü |
- |
- |
ü |
ü |
|
14. |
উপকরন সহায়তা |
ü |
ü |
- |
- |
ü |
ü |
|
15. |
ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থাপণা |
ü |
ü |
- |
- |
ü |
ü |
|
16. |
অন্তির্ভূক্তিমূলক সমস্যা চিহ্নিত করা ও ব্যবস্থাপনা |
ü |
ü |
- |
- |
ü |
ü |
|
17. |
দূর্বল অবকাঠামো চিহ্নিতকর |
ü |
ü |
- |
- |
ü |
ü |
|
18. |
৫০ ফুট রাস্তা চলাচল উপযোগী |
ü |
ü |
- |
- |
ü |
ü |
| সেক্টর/খাত | আপদ | ঝুঁকি | ঝুঁকি ও বপিদাপন্নতার কারন সমূহ | অগ্রাধিকার (১-৩) |
|
‡RÛvi I Aন্তf‚©w³KiY (নারী, শিশু, বয়স্ক, প্রতিবন্ধী, ইত্যাদি) (Gender and inclusion) |
পাহাড় ধ্বস |
০৭ ওয়ার্ডের প্রায় ০৫টি পাহাড়ে ( রৌফাবাদ উত্তর পাড়া (মিয়ার পাহাড়), আমিন কলোনী টাংকির পাহাড়, জুরানবাড়ী, রূপনগর কলোনী, ৯৯ গলির পাহাড়) আনুমানিক ৪০ টি পরিবারের নারীদের নানাবিধ ঝুঁকি রয়েছে।
১। প্রাণহানি, অঙ্গহানি, গর্ভবতী নারীর মৃত্যু ঝুঁকি। ২। মানসিক চাপ ও আতঙ্কে ভুগতে পারে। ৩। মাতৃগর্ভে শিশু ঝুঁকি রয়েছে । ৪। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে স্বাস্থ্যসেবা ও নিরাপত্তা ব্যাহত হবে। |
১। পাহাড়ের উপরে ও পাদদেশে বসতি (প্রধানত রৌফাবাদ উত্তরপাড়া – মিয়ার পাহাড়, আমিন কলোনী টাংকির পাহাড়, জুরানবাড়ী, রূপনগর কলোনী, ৯৯ গলির পাহাড়)।
২। উল্লিখিত ৫টি পাহাড়ে ৪৭টি পরিবার (১৯২ জন মানুষ) সরাসরি প্রাণহানির ঝুঁকিতে, এর মধ্যে প্রায় ২৮% নারী। ৩। ঘরবাড়ি কাঁচা/ঝুঁকিপূর্ণ, পাহাড় কেটে নির্মাণ, গাছ কর্তন। ১। গর্ভবতী নারীরা দ্রুত সরতে না পারায় প্রাণহানি ঝুঁকি বেশি। ২। আশ্রয়কেন্দ্রে নারীদের জন্য আলাদা জায়গা, টয়লেট, নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় যৌন হয়রানি ও নিরাপত্তাহীনতা। |
১ |
|
জলাবদ্ধতা |
১। শিশুদের ড্রেনে পড়ে আহত, নিহত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে, পানিবাহিত রোগ (ডায়রিয়া, আমাশয়), মশাবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাবের ঝুঁকি রয়েছে।
২। কর্মজীবী নারীদের কাজে যাওয়া ব্যাহত, আয় হ্রাস পাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে, শিশুদের পাঠদান ব্যাহত হয়। |
১। খতিবের হাট, সুন্নিয়া মাদ্রাসা রোড, মির্জাপুর, মোহাম্মদনগর কলোনী, হাদু মাঝিপাড়া, সঙ্গীত সিনেমা, হামজারবাগ, আতুরার ডিপো এলাকায় সংলগ্ন নির্দিষ্ট মৌসুমে জলাবদ্ধতা হয়। ২। অত্র ওয়ার্ডের বিস্তৃত অংশ নিচু ও অসমতল। ৩। অপরিকল্পিত বাড়ী-ঘর নির্মাণ ৪। ৭নং পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডের হাজী চানমিয়া উচ্চ বিদ্যালয় জলাবদ্ধতায় কবলিত থাকে এবং হামজার স্কুলের মাঠ জলাবদ্ধতার কারণে অনুপযোগী হয়ে পাড়ে। ৫। পাহাড়ী পলি জমে শীতল ঝর্ণা অনেকাংশে ভরাট হয়ে যায়। ৬। ওয়ার্ডের অধিকাংশ ড্রেন উন্মুক্ত, স্ল্যাপ নেই |
১ |
|
|
অগ্নিকান্ড |
প্রাণহানি, পুড়ে যাওয়া, বাস্তুচ্যুতি, পরিবার হারিয়ে মানসিক ট্রমা, মেয়ে শিশুদের বাল্যবিবাহের ঝুঁকি রয়েছে। |
১। রৌফাবাদ উত্তরপাড়া, বাশবাড়ীয়া, শান্তিনগর, জসিম কলোনী, আমিন কলোনী, আলীনগর, বেলতলা, নবীনগর, খতিবের হাট, হাদিমাঝিপাড়া, আতুরার ডিপো, বার্মা কলোনী, সহ অন্তত ১৪টি ঘনবসতিপূর্ণ বস্তি এলাকায় প্রায় ৭৮০ পরিবার অগ্নিকাণ্ড ঝুঁকিতে। ২। কাঁচা ঘরবাড়ি, সরু রাস্তা, গ্যাস লিকেজ, পুরোনো বৈদ্যুতিক তার। ৩। আমিন কলোনী জুটমিল এলাকায় বৈদ্যুতিক অব্যস্থাপনা রয়েছে। ৪। অধিকাংশ রাস্তা সরু এবং ফায়ার সার্ভিসের গাড়ী চলাচলের অনুপযোগী। |
১ |
|
|
বায়ু দূষণ |
শ্বাসকষ্ট, হৃদরোগ, এলার্জি, চোখ জ্বালা, ত্বকের রোগ দেখা দিতে পারে। |
১। কলকারখানার ধোঁয়া, আবর্জনা পোড়ানো, কয়লা ও জ্বালানি পোড়ানো। ২। ৭নং ওয়ার্ডের আতুরার ডিপো এলাকায় বেশকিছু ট্যানারী শিল্প রয়েছে, ট্যানারীর দুর্গন্ধ বায়ুর সংস্পর্শে এসে মারাত্মক দুষণ সৃষ্টি করছে। ৩। রৌফাবাদ এলাকায় গবাদী পশু জবাইকেন্দ্র ( জলদি ‘র) দুর্গন্ধ মারাত্মকভাবে বায়ূ দুষণ করছে। ৪। পাহাড়ি বসতিগুলোতে চুল্লি ব্যবহার বেশি। ৫। ৭নং ওয়ার্ডের মূল সড়কে মুরাদপুর টু অক্সিজেন সড়কে প্রচুর সংখ্যাক টুকটুকি/ টেম্পু, লেগুনা, ফোরস্ট্রোক গাড়ী চলাচল করে এবং কালো ধোয়া নির্গত করে। |
৩ |
|
|
রেললাইন ঝুঁকি |
১। ট্রেনে কাটা পড়ে প্রাণহানি বা অঙ্গহানি হতে পারে। ২।দুর্ঘটনায় নারীরা আহত হলে চিকিৎসা ও পুনর্বাসনে সীমাবদ্ধতা থাকে। ৩। সন্তানদের স্কুলে আনা-নেওয়ার সময় মায়েদের জন্য বাড়তি ঝুঁকি। ৪।দুর্ঘটনায় স্বামী বা সন্তান মারা গেলে নারীরা একক অভিভাবক হয়ে মানসিক ও সামাজিক সমস্যায় পড়ে। |
১। রেল ক্রসিংয়ে কোনো গেট বা গার্ড নেই। ২। নারীদের চলাচলের জন্য আলাদা নিরাপদ রাস্তা নেই, তাই রেললাইন পার হতে হয়। ৩। শিশুদের স্কুল, বাজার বা কাজের জায়গায় যাতায়াতের সময় রেললাইন পার হতে হয়। ৪। রেললাইনের পাশে বসবাসরত প্রায় ৭০–৮০ পরিবার, যাদের মধ্যে অন্তত অর্ধেক নারী সদস্য প্রতিদিন রেললাইন ব্যবহার করতে বাধ্য। ৫। কর্মজীবী নারী যারা বাজার, স্কুল বা কাজে যাতায়াত করেন। ৪। গর্ভবতী নারী ও প্রবীণ নারীরা শারীরিকভাবে দুর্বল হওয়ায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বেশি। |
৩ |
|
|
ডেঙ্গু/ চিকনগুনিয়া\ম্যালেরিয়া |
দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক অসুসস্থতা, কর্মক্ষমতা হ্রাস, চুলকানি,মৃত্যূঝুকি।
|
১। ০৭ নং ওয়ার্ডের আবাসিক এলাকা, ঝোপঝাড় ও জলাবদ্ধতায় প্রতিবছর কয়েকশ পরিবার আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে। ৩। সিটি কর্পোরেশনের লোকবল সল্পতা এবং নিয়মিত ঔষধ ছিটানো হয়না ৪। ওয়ার্ডে কোন বিশেষায়িত হাসপাতাল নেই ৫। অনেকগুলো নির্মানাধীন বিল্ডিং রয়েছে যেগুলোর ছাদে পানি জমাট থাকে ৬ । স্থানীয় জনপ্রতিনি না থাকায় নিয়মিত মনিটরিং করা হয়না |
৩ |
|
|
পাহাড়ি ঢল |
১। যোগাযোগ ব্যবস্থা নষ্ট, ড্রেন-নালা ভরাট হয়ে জলাবদ্ধতা, বিদ্যুৎ বিভ্রাট।
২। শিশু ও নারী মানসিক ট্রমা, গোপনীয়তা ও স্বাস্থ্য সমস্যা। |
১। রৌফাবাদ কলোনী, টাংকির পাহাড় থেকে পাহাড়ী ঢলে এলাকার বিস্তৃত অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ২। পাহাড়ী নিচে খাল/ নদীর অভিমূখে পানি প্রবাহিত হওয়ার বিশেষ ব্যবস্থা নেই ৩। আবহাওয়া বিভাগ থেকে সুর্নির্দিষ্ট বার্তা না থাকা |
১ |
|
SyuwK n«v‡mi Kvh©Kix Dcvq/ c`‡¶c
Risk Reduction Action plan |
KLb When (timeline) |
‡Kv_vq
(Where) |
‡K/‡Kvb wWc©vU‡g›U/ms¯’vi `vwqZ¡
(Responsible organization/ group/ person/ department) |
Awfó Rb‡Mvôx (msL¨v)
Target Population (Number) |
m¤¢ve¨ ev‡RU (UvKv)
Probable Budget |
প্রয়োজনীয় সহযোগীতা c«‡qvRbxq mn‡hvMxZv
Necessary Support |
we‡eP¨ welq
Remarks |
|
|
পুর্বাভাস ভিত্তিক আগাম কার্যক্রম সময়কাল
(Time period within lead time) |
সারাবছর/যেকোন উপযুক্ত সময়
(Round the year/ Any suitable time) |
|||||||
|
চসিক\ দুর্যোগ কমিটির মিটিং |
৭ দিন আগে |
যেকোনো সময় |
ওয়ার্ড কার্যালয় \ চসিক |
চসিক\ডিএমসি |
ঝুকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী |
১০০০০/= |
স্বেচ্ছাসেবক |
|
|
আগাম সতর্কবার্তা প্রচার (মাইকিং) |
১-৩ দিন আগে |
পূর্বাভাস পাওয়ার পর |
ঝুকিপূর্ণএরিয়ায় |
ভলান্টিয়ার, সিটি কর্পোরেশন, ডব্লিউডিএমসি,এনজিও |
ঝুকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী |
১৫০০০/= |
মহল্লা কমিটি |
|
|
আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করা |
৩-৪ দিন আগে |
দুর্যোগের পূর্বে |
ওয়ার্ডের সুবিধাজনক স্থানে। |
সিটি কর্পোরেশন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি/ নগর স্বেচ্ছাসেবক |
দুর্যোগের প্রেক্ষিতে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী |
১০০০০০/= |
ভলান্টিয়ার, মহল্লা কমিটি, এনজিও |
নারী পুরুষের জন্য আলাদা ব্যবস্থা, টয়লেট ও বিশেষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া |
|
মশা প্রতিরোধক ব্যবস্থা |
বর্ষাকালে |
ডেঙ্গু/ চিকুনগুনিয়ার ঋতুকাল ( জুন-সেপ্টেম্বর) |
সমগ্র ওয়ার্ড |
সিটি কর্পোরেশন |
সকল বাসিন্দা |
২০০০০/= |
মহল্লা কমিটি |
ঔষুধ ছিটানো,বর্জ্য ব্যবস্থাপনা |
|
যাতায়াত ব্যবস্থাপনা |
২-১ দিন পূর্বে |
দুর্যোগের পূর্বে |
ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা বিবেচনায় |
জেলা প্রশাসন/ চসিক |
ঝুকিপূর্ণ |
৫০০০০/= |
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি |
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি |
|
অন্তর্ভুক্তিমূলক জনগোষ্ঠী ও সমস্যা চিহ্নিত করা |
১-৩ দিন আগে |
দুর্যোগের পূর্বে |
ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা বিবেচনায় |
জেলা প্রশাসন/ চসিক/ এনজিও |
ওয়ার্ডের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় অন্তর্ভুক্তিমূলক জনগোষ্ঠী |
৫০০০০/= |
ওয়ার্ড দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি |
|
| সেক্টর/খাত | আপদ | ঝুঁকি | ঝুঁকি ও বপিদাপন্নতার কারন সমূহ | অগ্রাধিকার (১-৩) |
|
‡RÛvi I Aন্তf‚©w³KiY (নারী, শিশু, বয়স্ক, প্রতিবন্ধী, ইত্যাদি) (Gender and inclusion: Women, child, elderly, disable, etc.) |
পাহাড়্ধস |
১। নারী , শিশু ও প্রতিবন্ধীদের প্রাণহানি, অঙ্গহানি, আহত; শিক্ষা সামগ্রী হারানো; স্কুল বন্ধ হয়ে পড়াশোনা ব্যাহত, বিশুদ্ধ পানির সংকট, খাদ্য, বস্ত্র ও শিক্ষা সামগ্রীর সংকট, সুরক্ষার অনিশ্চয়তা।
২। মানসিক আঘাত, শিক্ষাক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়া |
১। ৭ নং ওয়ার্ডে অন্তত ৫টি পাহাড়ী এলাকা ঝুঁকিপুর্ণ পাহাড়ে জনবসতি রয়েছে ( মিয়ার পাহাড়, টাংকির পাহাড়, শান্তিনগর, সাংবাদিক পাহাড়, এ এ ওয়ান প্রফার্টিজ)
২। বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠির সংখ্যার আধিক্য বেশী, স্থানীয়ভাবে তাদের অভিভাবক্তহীতা রয়েছে।
৩। দুর্যোগ সুরক্ষামূলক উপকরণ স্বল্পতা রয়েছে। ৪। ইভাকুয়েশন/ রেসকিউ কার্যক্রমে প্রশিক্ষিত ভলান্টিয়ারের স্বল্পতা রয়েছে। |
১ |
|
জলাবদ্ধতা |
রোগ জীবানুর উপদ্রব, চলাচলে অসুবিধা, শিক্ষা/পাঠদান ব্যাহত হয় |
৫। ড্রেনে ময়লা আবর্জনা ফেলার ফলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়।
৬। যত্রতত্র নির্মানাধীন উপকরণ যেমন ইট, পাথর, বালু, রড , সেন্টারিং সামগ্রী ফেলে রাখা। |
১ |
|
|
বায়ু দূষণ |
১। শিশুদের শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া, ফুসফুসের সমস্যা, অ্যালার্জি ও চোখ জ্বালা।
২। দীর্ঘমেয়াদে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস, মানসিক ও শারীরিক বিকাশে বাধা।
৩। পড়াশোনায় মনোযোগ কমে যাওয়া, স্কুলে অনুপস্থিতি। |
১। শান্তিনগর খালের ধারে খোলা জায়গায় আবর্জনা পোড়ানো। ২। রৌফাবাদ ও আমিন কলোনীর টিনশেড কলোনীর রান্নাঘরে কয়লা, লাকড়ি, জ্বালানি ব্যবহার। ৩। শিল্প এলাকা ও ছোট কারখানার ধোঁয়া সরাসরি আবাসিক এলাকায় প্রবেশ। ৪। শিশুদের খেলাধুলার মাঠ বা স্কুলের পাশে আবর্জনার স্তুপ ও ধোঁয়া। ৫। শীতল ঝর্ণা খালের পাড় (যেখানে নিয়মিত বর্জ্য পোড়ানো হয়)। ৬। ওয়ার্ডের মূল সড়কে লেগুনা, টুকটুকি মতো যানবাহন চলাচল ও কালোধোয়া নির্গত ৭। আতুরার ডিপো এলাকায় ট্যানারী বর্জ্যের কারণে বায়ু দুষণ হয়। |
৩ |
|
|
পাহাড়ি ঢল |
ডুবে মৃত্যু, পানিবাহিত রোগ, বই-খাতা নষ্ট, স্কুল প্লাবিত হয়ে পড়াশোনা বন্ধ, শিশুদের ট্রমা। |
১। রৌফাবাদ কলোনী, টাংকির পাহাড়, শান্তিনগর পাহাড়ে ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় অনেক পরিবার বসবাস করে।
২। ভারী বর্ষণে রাস্তা-ড্রেন ভরাট হয়ে যায়। ৩। পানি প্রবাহের পথ সুগম নয়।
৪। ভারী বর্ষণের ফলে পাহাড়ের ক্ষয়ে যাওয়া মাটি বা গাছপালা ভেসে আসায় যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা নষ্ট হওয়া। |
২ |
|
|
রেললাইন ঝুঁকি |
১। খেলতে গিয়ে ট্রেনে কাটা পড়ে প্রাণহানি বা অঙ্গহানি।
২।মানসিক ট্রমা, পরিবারে শিশু হারানোর শোক। |
১। নিরাপত্তা বেষ্টনী না থাকা, ক্রসিংয়ে গেট গার্ডের অনুপস্থিতি।
২। ৮–১৬ বছর বয়সী কিশোর ছেলেরা, যারা ট্রেনলাইনের ধারে খেলে বা বসে।
৩। রেললাইনের পাশের বস্তির প্রায় ৭০–৮০ পরিবার, এদের শিশুদের প্রতিদিন যাতায়াতে ঝুঁকি। |
৩ |
|
|
ডেঙ্গু/ ম্যালেরিয়া\চিকনগুনিয়া |
১। শিশুদের উচ্চ জ্বর, অজ্ঞান হয়ে পড়া, রক্তক্ষরণ, দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যহানি।
২। মৃত্যুঝুঁকি, স্কুলে দীর্ঘ অনুপস্থিতি। |
১। ড্রেন ও ডাস্টবিন পরিষ্কার না করা, টব/পাত্রে জমে থাকা পানি। ২। অনেকগুলো উন্মুক্ত ড্রেন রয়েছে ৩। ওয়ার্ডের একাধিক স্থানে উন্মুক্ত ডাম্পিং রয়েছে। ৪। নির্মাণাধীন ভবনে পানি জমে থাকা
|
১ |
|
|
কিশোর অপরাধ প্রবণতা
|
১। মাদকাসক্তি, ইভটিজিং, চুরি-ছিনতাইয়ে জড়িয়ে পড়া।
২। স্কুল ড্রপআউট, বাল্যবিবাহ, দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক অপরাধে জড়িয়ে যাওয়া। |
১। রাজনৈতিকভাবে কর্তৃত্ববাদী গ্রুপ শিশু- কিশোরদের ব্যবহার করে।
২। রৌফাবাদ উত্তরপাড়া, টাংকির পাহাড়, শান্তিনগর কলোনীর কিছু অংশ – যেখানে কিশোররা আড্ডা দেয় এবং নেশাগ্রস্ত হয়। ৩। বাস্তুচ্যুত শিশু-কিশোরদের ব্যবহার করে স্বার্থ আদায় ৪। অত্র ওয়ার্ডে তুললামূলক শিক্ষার হার কম। ৫। পাহাড়ী এলাকা ও বস্তির আধিক্য ৬। বিহারী কলোনী ও বাঙালী কলোনীর বৈষম্য |
২ |
|
|
|
অবকাঠামোর আকস্মিক ধ্বস |
১। স্কুল ভবন বা বসতবাড়ি ধসে শিশুদের প্রাণহানি, আহত বা পঙ্গুত্ব।
২। পড়াশোনায় অনিশ্চয়তা, মানসিক আঘাত। |
১। পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবন। ২। অপরিকল্পিতভাবে নির্মিত বহুতল বাড়ি। ৩। টিনশেড কলোনীর জরাজীর্ণ ঘর। ৪। কলোনী, শান্তিনগর, টিনশেড বস্তি, রৌফাবাদ কলোনী-এসব এলাকায় বহু পুরোনো স্কুল ভবন ও বসতি আছে। ৪। হাজী চানমিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, আমিন কলোনী প্রাথমিক বিদ্যালয় অনেকটা পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ
|
৩ |
|
SyuwK n«v‡mi Kvh©Kix Dcvq/ c`‡¶c
Risk Reduction Action plan |
KLb When (timeline) |
‡Kv_vq
(Where) |
‡K/‡Kvb wWc©vU‡g›U/ ms¯’vi `vwqZ¡
(Responsible organization/ group/ person/ department) |
Awfó Rb‡Mvôx (msL¨v)
Target Population (Number) |
m¤¢ve¨ ev‡RU (UvKv)
Probable Budget |
c«‡qvRbxq mn‡hvMxZv
Necessary Support |
we‡eP¨ welq
Remarks |
|
|
পুর্বাভাস ভিত্তিক আগাম কার্যক্রম সময়কাল
(Time period within lead time) |
সারাবছর/যেকোন উপযুক্ত সময়
(Round the year/ Any suitable time) |
|||||||
|
চসিক\ দুর্যোগ কমিটির মিটিং |
৫-২ দিন আগে |
পূর্বাভাসের প্রেক্ষিতে |
ওয়ার্ড কার্যালয়/ স্কুল ভবন |
চসিক\ডিএমসি |
অধিক ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠি |
১০০০০/= |
স্বেচ্ছাসেবক |
|
|
আগাম সতর্কবার্তা প্রচার (মেসেজ, ভয়েজ কল)) |
২-৩ দিন আগে |
বিপদাপন্নতার সময় বা পূর্বাভাস পেলে |
ঝুঁকিপুর্ন এরিয়ায় |
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাস, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, নগর স্বেচ্ছাসেবক, এনজিও |
বিপদাপন্ন জনগোষ্ঠী |
১০০০০/= |
মহল্লা কমিটি |
|
|
আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত |
৩-৪ দিন আগে |
পূর্বাভাস পেলে বা আগে থেকেই |
নির্ধারিত আশ্রয় কেন্দ্র ( রশিদিয়া মাদ্রাসা, আলহেরা মাদ্রাসা, হামজারবাগ স্কুল) |
সিটি কর্পোরেশন, ডব্লিউডিএমসি, স্বেচ্ছাসেবক |
বিপদাপন্ন জনগোষ্ঠী |
১০০০০/= |
এনজিও, ভলান্টিয়ার |
পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ, মেডিক্যাল, স্যানিট্যাশন, খাদ্য ব্যবস্থা |
|
মাইকিং করা |
১-২ দিন পূর্বে |
বিপদাপন্নতার সময় বা পূর্বাভাস পেলে |
ঝুঁকিপুর্ন এরিয়ায় |
বিপদাপন্ন জনগোষ্ঠী, সিটি কর্পোরেশন, ডব্লিউডিএমসি, এনিজিও |
বিপদাপন্ন জনগোষ্ঠী |
১০০০০/= |
ভলান্টিয়ার, মহল্লা কমিটি, ধর্মীয় ব্যক্তি |
|
|
আশ্রয়কেন্দ্রে আলাদা সুরক্ষা নিশ্চিত
|
১-২ দিন |
বিপদাপন্নতার সময় বা পূর্বাভাস পেলে |
আশ্রয় কেন্দ্রে |
সিটি কর্পোরেশন, ডব্লিউডিএমসি, এনজিও |
বিপদাপন্ন জনগোষ্ঠী |
৫০০০০/= |
ভলান্টিয়ার, মেডিক্যাল টিম |
বৃদ্ধ,নারী শিশুদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা, হাইজিন ব্যবস্থা, স্যানিটেশন কিটস। মানসিক কাউন্সিলিং। বিপদগ্রস্থ শিশুদের বই বা বস্ত্র ব্যবস্থা |
|
কিশোর অপরাধ নিরসন |
সারাবছর |
সারাবছর |
ওয়ার্ড এলাকায় |
মহল্লা কমিটি, শিক্ষা ব্যক্তিত্ব, ধর্মীয় ব্যক্তি |
আসক্ত, বিপদ্গামী |
|
এনজিও |
সাইকোলজিক্যাল কাউন্সিলিং, শিক্ষা সুযোগ |
|
যাতায়াত ব্যবস্থাপনা |
০১-২০ ঘন্টা |
বিপদাপন্নতার সময় |
ওয়ার্ড এলাকায় |
ডি আর আর ও |
বিপদাপন্ন জনগোষ্ঠী |
|
স্বেচ্ছাসেবক |
|
|
অন্তর্ভুকিমূলক সমস্যা চিহ্নিত করা |
০১-৩ দিন আগে |
যেকোনো সময় |
ওয়ার্ড এলাকায় |
ডি আর আর ও |
বিপদাপন্ন জনগোষ্ঠী |
|
স্বেচ্ছাসেবক |
|